শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ট্যাক্স বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে আগামী দুই মাস নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ স্বজনপ্রীতি পরিহার করে স্বচ্ছতার সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী পাকিস্তানে সেনা-পুলিশ অভিযানে ৩৪ সন্ত্রাসী-বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই একদিন বিশ্বজগতে আলো ছড়াবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যান্ড দল ও ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে একুশে পদক প্রদান প্রধানমন্ত্রীর ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত বিয়ে করলেন বিজয়-রাশমিকা অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর-জেনারেলের আয়োজন রমজান ইফতার ডিনার অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত ১১ পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২০ Time View

ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত ১১ পত্রিকার ডিক্লারেশন (নিবন্ধন) বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন। আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্ট পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পত্রিকাগুলোর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাতায় সব প্রতিবেদন হুবহু প্রকাশিত হওয়ায় ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইনে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

নিবন্ধন বাতিল হওয়া পত্রিকাগুলো হলো মো. শামসুল আলম খান সম্পাদিত দৈনিক আজকের ময়মনসিংহ, এফ এম এ ছালাম সম্পাদিত দৈনিক দেশের খবর, এন বি এম ইব্রাহীম খলিল রহিম সম্পাদিত দৈনিক বিশ্বের মুখপত্র, মরহুম আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার সম্পাদিত দৈনিক ঈষিকা, নাসির উদ্দিন আহমেদ সম্পাদিত দৈনিক অদম্য বাংলা, আ ন ম ফারুক সম্পাদিত দৈনিক আলোকিত ময়মনসিংহ ও দৈনিক দিগন্ত বাংলা, শেখ মেহেদী হাসান নাদিম প্রকাশিত দৈনিক জাহান, ওমর ফারুক সম্পাদিত দৈনিক কিষানের দেশ, ফরিদা ইয়াসমীন রত্না সম্পাদিত হৃদয়ে বাংলাদেশ এবং বিকাশ রায় সম্পাদিত সাপ্তাহিক পরিধি।

জেলা প্রশাসন থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, গত ১০ এপ্রিল ও ১৩ এপ্রিল ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত ১১ দৈনিক পত্রিকায় অনুরূপভাবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাতায় হুবহু একই সংবাদ ও তথ্যচিত্র প্রকাশিত হয়। উল্লেখিত সংখ্যাসমূহ অনুমোদিত ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত হয়নি। এ ব্যাপারে গত ১৬ এপ্রিল ১৩ পত্রিকার প্রকাশক/সম্পাদককে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়।

পরে গত ২১ এপ্রিল ভুল স্বীকার করে ঘটনাটিকে ছাপাখানার দায়িত্বহীনতা ও নিজস্ব মুদ্রণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ব্যাখ্যাসহ জবাব দাখিল করেন যা গ্রহণযোগ্য বা যৌক্তিক বলে বিবেচিত হয়নি। পরে গত ১৮ মে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরেজমিন তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে ১১ পত্রিকা অনুমোদিত ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত হচ্ছে না, যা ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩-এর ৪ ও ৭ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণে পত্রিকাগুলোর ঘোষণাপত্র, ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩-এর ১০ ধারায় বাতিল করা হলো।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা বলেন, গত ৩০ মার্চ এবং ৭, ৮, ৯, ১০, ১২ ও ১৩ এপ্রিল পত্রিকাগুলোর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাতায় সব প্রতিবেদন হুবহু একই পাওয়া যায়, যা ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন, ১৯৭৩-এর ৪ ও ৭ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ওই ঘটনায় প্রথমে পত্রিকাগুলোকে শোকজ করা হয়। পরে তাদের দাখিল করা ব্যাখ্যা অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন, ১৯৭৩-এর ১০ ধারায় পত্রিকাগুলোর ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়েছে। 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category