মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯ সিডনিতে গত ৪৮ ঘণ্টায় তিনটি শার্ক আক্রমণের ঘটনা, আতঙ্কে উপকূলজুড়ে সতর্কতা ব্ল্যাকওয়াটল বে-তে উদ্বোধন হলো নতুন সিডনি ফিশ মার্কেট, উপচে পড়া ভিড় বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ‘সম্পূর্ণ ভুল’ : ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান সাভারে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টার থেকে ২ মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে ট্রাক খালে পড়ে এক পরিবারের ১৪ জন নিহত আজ পবিত্র শবে মেরাজ

ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক আর নেই

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯১ Time View

ভাষাসংগ্রামী, গবেষক ও কবি আহমদ রফিক মারা গেছেন। রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না এলাহি রাজিউন)।

আহমদ রফিকের পারিবারিক সূত্র তাঁর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় বুধবার বিকেলে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, মৃত ঘোষণা করার সাত মিনিট আগে তাঁর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বারডেম হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. কানিজ ফাতেমার তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল। কিডনির সমস্যার পাশাপাশি সম্প্রতি কয়েকবার ‘মাইল্ড স্ট্রোক’-এর শিকার হন তিনি।

১১ সেপ্টেম্বর ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাকে পান্থপথের হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় গত রোববার তাঁকে বারডেম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

আহমদ রফিক নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করতেন। ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম নেওয়া এই ভাষাসংগ্রামী ২০০৬ সালে স্ত্রীকে হারান। তিনি নিঃসন্তান।

ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রাবন্ধিক ইতিহাসবিদ এই লেখক শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন। পেয়েছেন একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা। দুই বাংলার রবীন্দ্রচর্চায় তাঁর অবদান অনন্য; কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে তাঁকে দেওয়া হয় ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি।

২০১৯ সাল থেকে দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হতে শুরু করলে অস্ত্রোপচার করা হলেও ফল আশানুরূপ হয়নি। ২০২৩ সাল থেকে তিনি প্রায় দৃষ্টিহীন। ২০২১ সালে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে যেতে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category