বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত, নিহত ৪ প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংকে চালু হচ্ছে শরীয়াভিত্তিক ঋণ প্রদান কার্যক্রম : আসিফ নজরুল দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশল প্রণয়ন করেছে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা গণভোট ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্ধারণ করবে: আলী রীয়াজ চালু হচ্ছে ফ্রিল্যান্সারদের সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সিডনিতে ‘ম্যাজিক ওয়ার্ড’ নাটকের সফল প্রিমিয়ার-শো অনুষ্ঠিত ‘ভরা থাক স্মৃতিসুধায়’- সিডনিতে অজয় দাশগুপ্তের জন্মদিন ও সোহরাব হাসানের সংবর্ধনা মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ ভিসা বন্ড শর্তাবলি পুনর্বিবেচনা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: আন্ডার সেক্রেটারি

ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে মানুষের ঢল

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৪১ Time View

ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। প্রথম প্রহরে বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর ১২টা ৪০ মিনিটে জনসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া হলে জনসাধারণের ঢল নামে শহীদ মিনারে।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ব্যানার, ফুল ও পুষ্পমাল্যসহ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর নানান উপকরণ হাতে নিয়ে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার কণ্ঠে সুর ওঠে, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’। শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও।

দিবসটিকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন রয়েছে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষরা বলছেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালিকে অধিকার আদায় করে নিতে শিখিয়েছে। সেই শিক্ষা আবারও আমাদের ৫ আগস্টের প্রেরণা হয়ে এসেছে বলেই স্বৈরাচারমুক্ত দেশ পেয়েছি। স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করতে পেরেছি। এই শহীদরাই আমাদের সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার শক্তি।

শ্রদ্ধা জানাতে আসা ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী রাজিব হোসেন বলেন, যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন, বাংলাকে আমাদের মাতৃভাষারূপে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, অন্যায় চাপিয়ে দেয়ার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন, সেই বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এখানে এসেছি।

আজিমপুর থেকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা সোহান রহমান বলেন, ১৯৫২ সালে পূর্বসূরীরা ভাষার জন্য জীবন দিছে বলেই আজ আমরা মায়ের ভাষা বাংলায় কথা বলতে পারছি। শহীদরা শহীদ না হলে আমরা মায়ের ভাষায় কথা বলতে পারতাম না। তাই প্রতি বছরই একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা জানাতে আসি। গর্ববোধ করি বাংলা ভাষায় কথা বলতে। তাদের আত্মদানের প্রতি আমার বিন্ম্র শ্রদ্ধা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category