মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান গেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাত ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ভোট শুরু ১২ নভেম্বর নেপালের বন্যার্তদের সহায়তায় সিডনিতে বাংলাদেশি-নেপালি সম্প্রদায়ের তহবিল সংগ্রহ একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়ার নতুন কমিটি, সভাপতি অমিয়া মতিন, সাধারণ সম্পাদক তাসলিম আহমেদ সিডনিতে নেপালের বন্যায় নিহতদের স্মরণে বহুভাষিক কবিতা সন্ধ্যা সিডনিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা সিডনিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির বৃহৎ বহুসাংস্কৃতিক উৎসব ‘স্প্রিং ফেয়ার ২০২৬’ ১১ অক্টোবর মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর মাসুদ খলিলের এমপি প্রার্থিতা ঘোষণা

৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ Time View
মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন দেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময়ে ইলিশ পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, কেনাবেচা ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলেদের ভিজিএফের আওতায় খাদ্য সহায়তা দেবে সরকার।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধের সময় নির্ধারণ ও মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।’
নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। প্রয়োজন হলে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত নৌযান ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অবৈধভাবে ধরা ইলিশের বাজারজাত বন্ধে বরফকল, আড়ত ও বাজারেও নজরদারি বাড়াতে হবে। চাঁদপুর মোহনাসহ ইলিশের প্রজননক্ষেত্রে অবৈধ জাল অপসারণে কঠোর অভিযান চালাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা বা বাজারজাত করার সুযোগ দেওয়া যাবে না।’
মা ইলিশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে আগামী মৌসুমে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘ইলিশের উৎপাদন দিন দিন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। কোথায় দুর্বলতা বা কার্যক্রমে ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অবৈধ জাল বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিষিদ্ধ জাল উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারের পাশাপাশি জেলে প্রতিনিধিদেরও এসব জাল না কেনার বিষয়ে জেলেদের সচেতন করতে হবে।’
নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের দেওয়া সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত জেলেদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তদারকি বাড়ানোর কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘ইলিশের উৎপাদন কমে গিয়ে বিদেশ থেকে মাছ আমদানি করতে হচ্ছে- এটি উদ্বেগের বিষয়। কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা চিহ্নিত করে সবাইকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইলিশকে জাতীয় সম্পদ ও জিআই পণ্য হিসেবে রক্ষা এবং উৎপাদন বাড়াতে আগামী দিনে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হবে।’
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া জেলা প্রশাসন, র‍্যাব, কোস্টগার্ড, বিমান বাহিনী, নৌ পুলিশ, বিজিবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category