শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ড, একই পরিবারের দগ্ধ ৩ থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলা, শিক্ষকসহ নিহত ৭ এসএসসির ফল প্রকাশ সোমবার, যেভাবে জানা যাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার ৩৪৯ এমপি, তালিকা প্রকাশ সচিবালয় অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের পদযাত্রা আটকে দিলো পুলিশ দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট : ইসি সাকিবের বাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের অভিযোগ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ অনুষ্ঠানে মানুষের ঢল যে ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটা কোনো ডকুমেন্টারি নয় শেখ হাসিনার মিডিয়ায় বক্তব্য দেওয়ার সঙ্গে ভারতের সরকারের সম্পৃক্ততা নেই

সিডনিতে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
  • ১৯১৫ Time View

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ক্যাম্পবেলটাউনের একটি বাড়িতে নারী ও দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ গণমাধ্যমকে জানায়, সোমবার (১৮ মে) রাত ৮টার কিছু আগে রেমন্ড এভিনিউয়ের ওই বাড়ি থেকে জরুরি নম্বরে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও জরুরি সেবা কর্মীরা। পরে সেখান থেকে ৪৬ বছর বয়সী এক নারী এবং চার ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আদালতের নথি অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৭টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকেই ঐ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়।

বাংলাদেশ কমিউনিটির সূত্র বলছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। বেশ কয়েক বছর যাবৎ তারা ক্যাম্পবেলটাউনের রেইমন্ড এভিনিউতে বসবাস করতেন। সন্তানের বাবা ফুল টাইম দুই সন্তানকে দেখাশোনা করতেন আর মা চাকরি করতেন। তবে, পুলিশ এখনও তাদের পরিচয় প্রকাশ করেনি।

জানা গেছে, মঙ্গলবার ক্যাম্পবেলটাউন লোকাল কোর্টে মামলাটি সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হলেও অভিযুক্ত আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি জামিনের আবেদনও করেননি। তবে আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে জামিন নামঞ্জুর করেছে। আগামী ১৫ জুলাই আবারও আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে তাকে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারটি খুবই নিরিবিলি ও নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের ঘনিষ্ঠ বলে ধারণা করা দুই নারী ঘটনাস্থলে এসে গোয়েন্দাদের সঙ্গে কথা বলার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে পুলিশ তাদের মিডিয়ার চোখের আড়ালে নিয়ে যায়। নিউজওয়্যারের তথ্য অনুযায়ী, নিহত বড় শিশুটির গুরুতর মস্তিষ্ক-ভিত্তিক স্নায়বিক ব্যাধি শিখন অক্ষমতা ছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশ আরও জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগে পুলিশের নজরে ছিলেন না এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগও ছিল না। স্থানীয় এমপি ডা. মাইক ফ্রিল্যান্ডার ঘটনাটিকে পুরো কমিউনিটির জন্য ‘একটি জাতীয় ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করে জরুরি সেবা কর্মীদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এটি শুধু আমাদের কমিউনিটির নয়, পুরো অস্ট্রেলিয়ার জন্যই এক মর্মান্তিক ঘটনা।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category