বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্রাজিলে প্রবল বর্ষণে ৩০ জনের প্রাণহানি সিডনিতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে মহান একুশে স্মরণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল ১৪ উপজেলায় পাইলটিংয়ের মাধ্যমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু ১০ মার্চ অমর একুশে বইমেলা শুরু হচ্ছে আগামীকাল পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা সাতবারের ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ জয়ী মায়ঙ্ক মারা গেছেন পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের কোহাটে পুলিশের ভ্যানে হামলা, নিহত ৭ আন্তর্জাতিক বাংলাদেশি ফ্যাশন ডিজাইনার তাম্মী পারভেজের ‘দ্য স্টাইলিস্টা’র প্রথম বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন

১৪ উপজেলায় পাইলটিংয়ের মাধ্যমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু ১০ মার্চ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের পরীক্ষামূলক (পাইলটিং) কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ওইদিন দেশের ১৪টি উপজেলায় এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মন্ত্রী জানান, আজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ উচ্চ কমিটির সভায় এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তিনি আরো জানান, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত উপ-কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আজ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং কার্যক্রমের অনুমোদন দিয়েছেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ঈদুল ফিতরের আগেই আগামী ১০ মার্চ  প্রধানমন্ত্রী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। প্রাথমিকভাবে দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে ১৪টি উপজেলা বাছাই করা হয়েছে। এসব উপজেলার একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে ‘ইউনিভার্সাল’ বা সর্বজনীন ভিত্তিতে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্পের রূপরেখা নিয়ে কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এটি অনুমোদিত হলো।’

নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই কার্ডের সুবিধা পাবেন পরিবারের মা বা নারী প্রধান। এর মাধ্যমে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে এবং পুরো পরিবার ও আগামী প্রজন্ম এর সুফল পাবে।

তিনি জানান, আগামী চার মাসের মধ্যে পাইলটিং শেষ করে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে।

সুবিধাভোগী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে তালিকা করা হবে না। ‘ডোর টু ডোর’ বা ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এখানে কোনো রাজনৈতিক বিশ্বাস বা ধর্মীয় বৈষম্য থাকবে না। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এতে কোনো দলীয় বা গোয়েন্দা সংস্থার সম্পৃক্ততা থাকবে না।’

মন্ত্রী আরো জানান, উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও’র নেতৃত্বে এবং ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি কর্মচারীদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তদারকির জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া ভুলত্রুটি এড়াতে ‘দ্বিস্তর বিশিষ্ট’ চেকিং ও রি-চেকিং ব্যবস্থা থাকবে।

অর্থসংস্থানের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের শেষ দিকে হওয়ায় আপাতত অর্থ মন্ত্রণালয়ের থোক বরাদ্দ থেকে এই অর্থের সংস্থান করা হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকে এটি নিয়মিত বাজেটের অন্তর্ভুক্ত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category