শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেফতার করলে পুরস্কার পাবে পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা : ইউজিসি বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, বিনিয়োগে আস্থা রাখুন : প্রধানমন্ত্রী এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে নভেম্বরের মাঝামাঝি ‘আমাদের কথা’র ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৭ সেপ্টেম্বর জলবায়ু হুমকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগ চান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতার সাবেক ওসি রাকিবুল ৫ দিনের রিমান্ডে বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের বৈঠক চুক্তি না হলে ইরানকে ‘ধ্বংস’ করার হুমকি ট্রাম্পের

ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা : ইউজিসি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ Time View
দেশে ও বিদেশে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, বর্তমান বিশ্ব ক্রমেই একে অপরের সঙ্গে আরও বেশি সংযুক্ত হচ্ছে। এ বাস্তবতায় অতিরিক্ত একটি ভাষা শেখা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সক্ষমতাও তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে ম্যান্ডারিন (চীনা), জাপানিজ, জার্মান, কোরিয়ান ও আরবিসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার বিস্তারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো। সেই লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ইউজিসি।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা তুলে ধরে ইউজিসি সদস্য বলেন, দেশের সব বিভাগীয় অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়কে এর আওতায় আনা হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটসহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।
তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় বিদেশি ও স্থানীয় ভাষা বিশেষজ্ঞ এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষণ উপকরণ প্রয়োজন হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে ইউজিসি।
বিশেষ করে ম্যান্ডারিনকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে জানিয়ে অধ্যাপক মামুন বলেন, এ ক্ষেত্রে চীনের দূতাবাসের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার আঞ্চলিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন ইউজিসি সদস্য। তিনি বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌথ ডিগ্রি ও দ্বৈত ডিগ্রির সুযোগ তৈরির বিষয়েও কাজ করছে ইউজিসি।
চীনের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিকীকরণে ভূমিকা রাখতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিপিসি ইউনান প্রাদেশিক কমিটির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ঝাও জুনমিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান চাওছি এবং বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহসহ অন্যরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category