বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৫ ইউনিট সিডনির মঞ্চে জীবন্ত হয়ে উঠল বঙ্কিমচন্দ্রের কালজয়ী ‘দেবী চৌধুরানী’—প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতির গৌরবময় উপস্থাপন সরকার ১৮০ দিনের কর্মসূচির আলোকে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে রাজধানীজুড়ে নববর্ষ উৎসবের আমেজ আন্দামান সাগরে নৌকাডুবে ২৫০ যাত্রী নিখোঁজ কুমিল্লায় চালবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৭ আজ পহেলা বৈশাখ : বাংলা ১৪৩৩ সালের প্রথম দিন যুক্তরাষ্ট্র ‘স্বৈরতন্ত্র’ পরিত্যাগ করলে চুক্তি হতে পারে : পেজেশকিয়ান

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবে ২৫০ যাত্রী নিখোঁজ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮ Time View
22

আন্দামান সাগরে একটি ট্রলার ডুবির ঘটনায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ কমপক্ষে ২৫০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী ছাড়াও বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

জানা গেছে, ট্রলারটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের টেকনাফ উপকূল থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল। পথে আন্দামান সাগরে প্রচণ্ড বাতাস ও উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই থাকায় ভারসাম্য হারিয়ে সেটি সমুদ্রে ডুবে যায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই মর্মান্তিক ঘটনাটি দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি এবং রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সমাধানের অভাবের এক ভয়াবহ পরিণতি। রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা অদূর ভবিষ্যতে নিরাপদে বাড়ি ফেরার আশা ম্লান করে দিয়েছে।
অন্যদিকে, মানবিক সহায়তা কমে যাচ্ছে। ক্যাম্পের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে; সেখানে রয়েছে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাব।

এসব কারণে মানুষ নিরাপত্তা ও সুযোগের আশায় এমন বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা বেছে নিচ্ছে। বিদেশে ভালো বেতনের আশা এবং পাচারকারীদের ভুল তথ্য মানুষকে বিশাল ঝুঁকি নিতে প্রলুব্ধ করে। এই পরিস্থিতি পাচারকারীদের অসহায় মানুষকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ করে দেয়। আন্দামান সাগর বারবার এমন বিপজ্জনক যাত্রায় বের হওয়া মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে।

এতে বলা হয়, আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জরুরি আহ্বান জানাই, তারা যেন তাদের সংহতি জোরদার করে এবং অর্থায়ন অব্যাহত রাখে। এতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা নিশ্চিত হবে, পাশাপাশি স্থানীয় বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীও উপকৃত হবে।

বাংলাদেশ যখন নতুন বছরকে বরণ করছে, তখন এই মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত হওয়ার মূল কারণগুলো দ্রুত সমাধান করা জরুরি। একই সঙ্গে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে।

সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া এমন ভয়ংকর সমুদ্রযাত্রায় আরও অনেক প্রাণ অকালে হারিয়ে যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category