শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বজুড়ে নারীদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া প্রবাসীদের জন্য হটলাইন চালু সিডনি বাঙ্গালী কমিউনিটি ইনক.-এর আয়োজনে আগামীকাল মিন্টো ইনডোর স্পোর্টস সেন্টারে ‘ঈদ এক্সিবিশন ২০২৬’ আজ মধ্যপ্রাচ্যগামী যেসব ফ্লাইট চালু আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ: স্বাধীনতার ডাকের স্মরণে জাতি ক্যাম্বেলটাউনে মেয়রের আয়োজনে রমজানের ইফতার, অংশ নিলেন বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষ রাশমিকার বিয়েতে নজর কাড়ল ৩ কেজি সোনার গয়না রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ১০ সিডনির ওরান পার্কে আন্তর্জাতিক নারী দিবস এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজন করা হচ্ছে “‌হেনা অ্যান্ড হেরিটেজ – ঈদ আল ফিতর ২০২৬”

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বজুড়ে নারীদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৪ Time View

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সকল নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

শনিবার (৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য “আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার” অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী, আর নারীদের রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে-বাইরে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল অর্জন করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশেও জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী, তাই উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে উল্লেখ করেন, নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে ‘নারী বিষয়ক দফতর’ প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় ‘মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়’। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১৯৯৪ সালে তা ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এ রূপান্তরিত হয়।

তিনি আরও বলেন, নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন, যা নারীর ক্ষমতায়নে একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত ছিল। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জোরদার করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সবক্ষেত্রে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাইবার বুলিং ও অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় যেখানে নারী-পুরুষ সমান অধিকার ভোগ করবে এবং সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে কাজ করতে পারবে।

তিনি আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category