শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিডনির ওরান পার্কে আন্তর্জাতিক নারী দিবস এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজন করা হচ্ছে “‌হেনা অ্যান্ড হেরিটেজ – ঈদ আল ফিতর ২০২৬” যুদ্ধের প্রথম দুই দিনে তেহরান ছেড়েছেন ১ লাখ মানুষ : জাতিসংঘ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে ২১০টি ফ্লাইট বাতিল সাত ভাই চম্পার রাত ইরানে সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা এক হাজারের বেশি পবিত্র মাহে রমজানের সৌহার্দ্যে সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাবের ইফতার ও ডিনার মার্কিন হামলায় ডুবল ইরানি যুদ্ধজাহাজ, নিহত ৮০ ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর তালিকা করে চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে মোজতবা খামেনিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা

পাকিস্তানে বিশাল স্বর্ণের খনির সন্ধান

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২২৮ Time View

নানা আর্থিক সংকটের মধ্যে থাকা পাকিস্তানে স্বর্ণের খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। সিন্ধু নদের পাঞ্জাব অংশের অববাহিকা এলাকা এই খনিতে অন্তত ২৮ লাখ ভরি স্বর্ণ মজুত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাঞ্জাব প্রদেশের সাবেক খনিমন্ত্রী ইব্রাহিম হাসান মুরাদের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ১০ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় ইব্রাহিম হাসান মুরাদ বলেন, ‘সিন্ধু নদের পাঞ্জাব অংশের অববাহিকা এলাকা ৩২ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই খনিতে অন্তত ২৮ লাখ ভরি (প্রায় ৩৩ টন) স্বর্ণ মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশের বর্তমান বাজারে এই পরিমাণ স্বর্ণের দাম ৮ হাজার কোটি পাকিস্তানি রুপি।

তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তানের ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা জিওলজিক্যাল সার্ভে অব পাকিস্তান (জিএসপি) এই জরিপ পরিচালনা করেছে। সিন্ধু নদের পাঞ্জাবের তীরবর্তী অঞ্চলের ১২৭টি জায়গার নমুনা সংগ্রহ ও তা পরীক্ষার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে এসেছে জিএসপি।’

এক্সে সাবেক মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে এই মহামূল্যবান হলুদ ধাতুর উত্তোলন শুরু হলে তা পাকিস্তানের অর্থনীতিতে নতুন মাইল ফলক তৈরি করবে। কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে নতুন মঞ্চ পাবে ভবিষ্যত প্রজন্ম।’
 
পাকিস্তানের ভূতাত্ত্বিক জরিপের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সিন্ধু নদের তলদেশ থেকে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন রুপি মূল্যের স্বর্ণ উত্তোলন সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাজার হাজার বছর ধরে হিমালয় থেকে সিন্ধু নদের স্রোতের সঙ্গে ভেসে আসা সোনার কণা নদীর তলদেশে জমা হয়ে এই মজুত তৈরি করেছে, যাকে ‘প্লেসার ডিপোজিশন’ বলা হয়।

ইব্রাহিম হাসান মুরাদ জানিয়েছেন, কেবল অ্যাটক জেলায় ৩২ কিলোমিটার এলাকা জুড়েই প্রায় ৩২.৬ মেট্রিক টন সোনা থাকতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সিন্ধু নদ থেকে সোনার কণা সংগ্রহ করলেও, ২০২৪ সালে পাঞ্জাব সরকার নদী থেকে সোনা উত্তোলনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং অবৈধ খনন বন্ধে ১৪৪ ধারা জারি করে।
 
২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্বর্ণের খনির সন্ধান মিলেছে চীনে। সেখানে লুকিয়ে থাকা সোনার পরিমাণ আনুমানিক হাজার টন বলে জানা গেছে। চীনা সরকারি সংবাদমাধ্যমের দাবি, খনিতে লুকিয়ে থাকা হলুদ ধাতুর আনুমানিক বাজারদর ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category