বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত : অর্থমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুই দিন বাসাবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ভুলে গেলে চলবে না: প্রধানমন্ত্রী তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হয়রানির ঘটনায় সরকারের নিন্দা শাহজালালে ৮২ ফ্লাইটের সূচিতে বিঘ্ন, ভোগান্তিতে ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী ঢাকা-রিয়াদ রুটে ১০ ফ্লাইট স্থগিত, বিপাকে ৩৪৩১ যাত্রী ইউপি নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা সারা দেশে দুই দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা সিডনিতে বাংলাদেশ পূজা অ্যাসোসিয়েশনের দশম মহালয়া উদ্‌যাপন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত : অর্থমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নয়ন এবং দেশটি থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের আরও সহায়তা পাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ বুধবার ব্যাংককে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে ঋণ ব্যবস্থাপনা, মার্কিন সহায়তা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া চীনের এক্সিম ব্যাংক এবং দেশটির সহায়তাসংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিগত দিনে আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেমন কিছু পাইনি। কিন্তু বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক যেভাবে এগিয়েছে; আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেকগুলো এয়ারক্রাফট কিনছি, তেল, সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য ও কমোডিটি আমদানি করছি। তাই তাদের কাছ থেকে আমাদের জন্য বাড়তি সহায়তা আসা উচিত। তারা এ বিষয়ে একমত হয়েছে। এখন দেখা যাক।’

সরকারের অর্থনৈতিক নীতিতে ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ এ পথে এগিয়ে যেতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক নীতির মূল জোর হচ্ছে বিনিয়োগ। আমরা ঋণ থেকে সরে এসে সরাসরি বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগের দিকে বেশি যেতে চাই।’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এয়ারক্রাফট, তেল, সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির কারণে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যেও এর প্রভাব পড়ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তাদের জোর দিয়ে বলেছি, বাংলাদেশ যখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এত বেশি আমদানি করছে এবং দুই দেশের সম্পর্ক যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, এখন যদি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সমর্থন না আসে, তাহলে আর কবে আসবে? আমরা যে সহায়তাগুলো আশা করছি, সেগুলো এখন আসা উচিত।’

তিনি জানান, বাংলাদেশের এ অবস্থানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একমত হয়েছে। তবে প্রত্যাশিত সহায়তা বাস্তবে কতটা এবং কীভাবে পাওয়া যায়, তা এখন দেখার বিষয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category