মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট বা পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বায়তুল মোকাররমে মিছিলের প্রস্তুতি, ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৯ জন গ্রেফতার ব্যাটিং কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো আশরাফুলকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর ম্যারাডোনার মৃত্যু মামলার রায় ২২ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে বড় ঝুঁকির মুখে ওয়েবসাইট

বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব: শিক্ষামন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ১২৩ Time View

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সেরা শিক্ষা হাবে পরিণত করার সব ধরনের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা এডুকেশন হাব। আমাদের সেই রিসোর্স রয়েছে, আমাদের সেই মেধা রয়েছে, আমাদের সেই প্রোগ্রাম রয়েছে, আমাদের সেই ইচ্ছা রয়েছে। এটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য সকলকে এক যোগে কাজ করতে হবে।’

মঙ্গলবার (৫মে) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘উচ্চশিক্ষায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা, ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা ও জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে যৌথ কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। ‘মাত্র ১৬ দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যে কাজ হয়েছিল, তা ১৬ বছরেও করা কঠিন।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষা উন্নয়নে গভীর আগ্রহী ছিলেন এবং শিক্ষাকে ঘিরে তার স্বপ্ন ছিল সুদূরপ্রসারী। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন। তিনি তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন শিক্ষা, শিক্ষা এবং শিক্ষা।

বাংলাদেশকে একটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ আকৃষ্ট করার বিষয়েও কাজ চলছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একসময় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করত এবং ভবিষ্যতেও সেই সম্ভাবনা রয়েছে। বিদেশে শিক্ষাগ্রহণ শেষে দেশে ফিরে অবদান রাখার প্রবণতা বাড়াতে হবে।

স্টেকহোল্ডারদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের মতামত শোনা ছাড়া টেকসই সিদ্ধান্ত সম্ভব নয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, স্কলারশিপ প্রদান এবং ট্রাস্টভিত্তিক পরিচালনার বিষয়গুলোও পর্যালোচনা করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে চায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category