মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বাস-লরি সংঘর্ষে নিহত ৫ মানব পাচার দমনে জিরো টলারেন্স নীতি সরকারের : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী লিবিয়া থেকে দেশে ফিরছেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট বা পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বায়তুল মোকাররমে মিছিলের প্রস্তুতি, ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৯ জন গ্রেফতার

ঈদুল ফিতরের তারিখ জানাল অস্ট্রেলিয়া

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৪ Time View

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সঙ্গে পরামর্শ এবং বৈশ্বিক মানমন্দিরের হিসাব-নিকাশ বিশ্লেষণ করে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ফাতওয়া কাউন্সিল। সে হিসেবে আগামী ২০ মার্চ শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

অস্ট্রেলিয়ার ফাতওয়া কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় রমজান মাস শেষ হচ্ছে আগামী ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার। সেই হিসেবে ২০ মার্চ শুক্রবার দেশটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং ১৪৪৭ হিজরি সালের শাওয়াল মাসের প্রথম দিন পালিত হবে। শনিবার (১৪ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশটির জাতীয় ইমাম পরিষদ ও ফাতওয়া কাউন্সিল এই ঘোষণা দিয়েছে।

কাউন্সিল জানিয়েছে, নতুন চাঁদের জন্ম, সূর্যাস্ত এবং অস্ট্রেলিয়া ও এর আশপাশের অঞ্চলে চাঁদের দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রখ্যাত আলেমদের অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

তবে চাঁদ দেখার বিষয়ে অন্যান্য ইমাম বা আলেমদের ভিন্ন মত থাকতে পারে বলে স্বীকার করেছে ইমাম পরিষদ। তারা এই পার্থক্যগুলোকে সম্মান জানিয়ে মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং নিজেদের মূল্যবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি ড. ইব্রাহিম আবু মোহাম্মদ এবং জাতীয় ইমাম পরিষদের সদস্যরা দেশটির মুসলিমদের ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ঈদ উদযাপনের পাশাপাশি অস্ট্রেলীয় মুসলিমদের প্রতি তারা বিশেষ কিছু আহ্বান জানিয়েছেন।

ঈদ উদযাপনের পাশাপাশি তারা গাজার ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য দোয়া করতে  এবং সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সাহায্যার্থে অনুদান দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে প্রতিবেশী ও বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশার মাধ্যমে ইসলামের শান্তির বার্তা ও সঠিক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে বলেছেন।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী শাওয়াল মাসের সূচনার এই নিখুঁত হিসাব নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মতভেদ থাকলেও মুসলিমদের মধ্যে একটি সুশৃঙ্খল ও নির্ভুলভাবে ঈদ উদযাপনের পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে কাউন্সিল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category