বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বাস-লরি সংঘর্ষে নিহত ৫ মানব পাচার দমনে জিরো টলারেন্স নীতি সরকারের : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী লিবিয়া থেকে দেশে ফিরছেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট বা পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বায়তুল মোকাররমে মিছিলের প্রস্তুতি, ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১৯ জন গ্রেফতার

নেত্রকোনায় পাঁচ ইউনিয়নে পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৬০ Time View

ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী ও কংস নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনো বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে নদী তীরবর্তী গ্রামগুলোতে প্রবেশ করেছে পানি।

ঢলের পানিতে উপজেলার কুল্লাগড়া, গাওকান্দিয়া চন্ডিগড় ও কাকৈরগড়া ইউনিয়নের প্রায় বিশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট।

শনিবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে পানিবন্দি এইসব এলাকা পরিদর্শন করেন নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস। এ সময় তিনি উপজেলার কাঁকৈরগড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখেন। পরে রামবাড়ী গ্রামে শতাধিক মানুষের মাঝে শুকনা খাবার, চাউল ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাফিকুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, দুর্গাপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোনার জারিয়া পয়েন্টে ২৫০ মিলিমিটার ও দুর্গাপুর পয়েন্ট ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

শনিবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কলমাকান্দা উপজেলায় উব্দাখালী নদীর পানি ডাকবাংলা পয়েন্টে বিপদসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়াও জেলার অন্যতম প্রধান নদী সোমেশ্বরী নদীর পানি বিজয়পুর পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৩৯ সেন্টিমিটার ও দুর্গাপুর পয়েন্ট ৮০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পূর্বধলায় কংস নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও খালিয়াজুরিতে ধনু নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২০২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সারওয়ার জাহান জানান, ভারতের অভ্যন্তরে এখনো বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে সীমান্তবর্তী নদ-নদী গুলোতে পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে বৃষ্টি থেমে গেলে নদীর পানিও কমতে শুরু করবে। তবে এখন পর্যন্ত জেলার প্রায় সব কয়টি বিপদসীমার নিচে রয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির পানিতে দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া, গাওকান্দিয়া ও চন্ডিগড়ের বেশ কিছু নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category