ডিএইচএসের ভাষ্য, প্রস্তাবিত ফি ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো প্রতারণা প্রতিরোধ, অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়ানো এবং মার্কিন কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষা করা। সংস্থাটির মতে, নতুন ফি চালু হলে শিক্ষার্থী, নিয়োগকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এফ-১ ভিসার নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করা সহজ হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা শেষে দেশটিতে চাকরি করতে চান এমন বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওপিটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এই কর্ম-প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অনেকেই পরবর্তী সময়ে এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে চাকরির সুযোগ খোঁজেন। ফলে প্রস্তাবিত ফি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা ও পরবর্তী কর্মজীবনের পরিকল্পনায় বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে।
তবে এখনই নতুন নিয়ম কার্যকর হচ্ছে না। প্রস্তাবটি নিয়ে ৩০ দিন জনমত নেওয়া হবে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় ও নিয়োগকর্তাদের প্রস্তুতির জন্য আরও ৬০ দিন সময় দেওয়ার কথা জানিয়েছে ডিএইচএস।
এদিকে, প্রস্তাবিত নিয়মটি চূড়ান্ত হলে তা আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।