বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের ৭ সেনা নিহত বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপের আভাস সরকার কোনো ধরনের চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না ম্যাকার্থার হাইটসে বই ও কমিউনিটিকে এক সুতোয় বাঁধল এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরির ২২তম উন্মুক্ত পাঠাগার স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সাইন্সল্যাবে শিক্ষার্থীদের অবস্থান দেশজুড়ে অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা চীনে ভয়াবহ বন্যায় ভেসে যাচ্ছে গাড়ি, নিহত ৩৯ বাংলাদেশ পূজা অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত, নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

সরকার কোনো ধরনের চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৪ Time View
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার কোনো ধরনের চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না। একই সঙ্গে তিনি জানান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উগ্রবাদ ও চরমপন্থা মোকাবিলায় সরকার বিরোধী দলের পূর্ণ সহযোগিতা পাবে বলেও আশা রাখেন তিনি।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগেই আমরা উল্লেখ করেছি, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এবং সেটিরই অংশ হিসেবে বর্তমান সরকার ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। আগেও বলেছি, আবারও আমি উল্লেখ করতে চাই— বর্তমান সরকার কোনোভাবেই কোনও প্রকার চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না।
উগ্রবাদ দমনে রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যেভাবে সরকারি দল এবং বিরোধী দল বিভিন্ন বিষয়ে এই সংসদে কোনও কোনও বিষয়ে দ্বিমত করেছি, কিন্তু একই সঙ্গে অনেক বিষয়ে একমত পোষণ করেছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, উগ্রবাদ এবং চরমপন্থাকে বর্তমান সরকার প্রশ্রয় দেবে না— এই ব্যাপারে আমরা সম্পূর্ণভাবে বিরোধী দলের সহযোগিতা পাবো, ইনশাআল্লাহ।
সমাপনী বক্তব্যের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহিদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হলে ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শহিদগণ এমন একটি বাংলাদেশ চেয়েছিলেন, যে বাংলাদেশে ন্যায়পরায়ণতা এবং ন্যায়বিচারই হবে শেষ কথা। যে বাংলাদেশে ধনী কিংবা গরিব কেউই বৈষম্যের শিকার হবেন না।
এরপর তিনি যোগ করেন, আমরা প্রত্যেকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সেই বাংলাদেশে চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের কোনোরকম ঠাঁই হবে না। যে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে কেউ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করবে না।
শহিদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে এসব বিষয় যথাযথভাবে সমাধান করাই রাষ্ট্র ও সরকারের অন্যতম দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, উগ্রবাদী সংগঠনে জড়িত সন্দেহে গত ৫ মে ভোর সাড়ে ৬টায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকার একটি বালুর মাঠ থেকে ৬ জনকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তী সময়ে ৯ জুলাই রাতে যশোর থেকে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান, বায়োজিত এবং তাহসীন ইসলাম। এর মধ্যে আতাউল্লাহ শাহ জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা ছিলেন এবং পরে বহিষ্কৃত হন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category