সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশপ্রেম-সততার সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে মার্কিন হামলা বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে লুকানো ছিল ১৬ কেজি স্বর্ণ প্রবাসীদের জন্য ১০ সুবিধা নিয়ে আগামী মাসে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না আলজেরিয়ায় শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুনে শিশুসহ নিহত ১১ রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে জুতার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে বন্যায় ৭ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত : অর্থমন্ত্রী তেজগাঁও বিভাগে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৬৭

অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে নিখোঁজ নারীর মরদেহ উদ্ধার

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৩৮ Time View

নিখোঁজ হওয়ার দুই মাস পর সাভারের আশুলিয়া থেকে রেহেনা পারভীন (৩৫) নামে এক নারীর মাটিতে পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে সাভারের আশুলিয়ার মনোদিয়া এলাকার চওরাপাড়া গ্রামে নিহত রেহেনার ননদ পাপিয়া আক্তারের বাড়ির আঙিনা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রেহেনা ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার পাতিলা গ্রামের লেহাজ উদ্দিনের মেয়ে। তিনি স্বামী আওলাদ হোসেন ও চার সন্তান নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করতেন।

রেহেনার পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ২৯ জুন রেহেনা পারভীন অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসেন। পরদিন ৩০ জুন তিনি বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি যান। সেখানে কয়েকদিন থাকার পর ৩ জুলাই তিনি তার বাবার বাড়িতে ফোনে করে জানান যে তাকে মারধর করা হয়েছে। তারপর থেকেই নিখোঁজ হন রেহেনা। পরে ৩ জুলাই নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি ও ০৮ সেপ্টেম্বর চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করে নিহত রেহেনার পরিবার। তাতে আসামি করা হয় স্বামী আওলাদ হোসেন, তার চাচা আমজাদ হোসেন ও ননদ পাপিয়া আক্তার। এছাড়া মাকসুদা নামে আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর রেহেনার চাচা আমজাদ হোসেন ও ননদ পাপিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর পুলিশের তদন্তে তার ননদ ও চাচাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে রেহেনার মরদেহে খোঁজ মেলে। তবে রেহেনার স্বামী আওলাদ হোসেন পলাতক আছেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর মোহাম্মদ খান জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই আশুলিয়া থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক বিরোধের কারণেই তাকে হত্যা ও পরে মাটিতে পুঁতে রাখা হতে পারে। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category