শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিডনির ইংলবার্নের গ্রেগ পার্সিভাল হলে আগামীকাল ‘শঙ্খনাদ শারদ মেলা ২০২৬’ সিডনিতে বসন্তের রঙে বৃহৎ আয়োজন ‘CCA Spring Fair 2026’ ১১ অক্টোবর ফেয়ারফিল্ড শোগ্রাউন্ডে সিডনিতে শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে সিডনি বাঙালি কমিউনিটি ইনকের জমজমাট শারদীয় এক্সিবিশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বাঙালিয়ানার মিলনমেলা ৪৩ লাখ কৃষক এ বছর কৃষক কার্ড পাবেন : কৃষিমন্ত্রী যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে ৫ লাখ ডেঙ্গু টেস্ট কিট দিলো যুক্তরাষ্ট্র দেশের সব উপজেলা হাসপাতাল ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর সিডনিতে এথনিক বাজারের দুর্গাপূজা প্রদর্শনী, সংস্কৃতির সঙ্গে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রাণের মেলা প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: সালাহউদ্দিন আহমদ

আমাদের শিশুরা পিছিয়ে থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪
  • ৩০৮ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের শিশুরা কেউ পিছিয়ে থাকবে না। তাদেরকে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, কেউ পিছিয়ে থাকবে না।

তিনি বলেন, বিশ্ব প্রযুক্তির যুগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের শিশুরা পিছিয়ে থাকবে না। আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান দিয়ে আমরা তাদের গড়ে তুলবো।

মঙ্গলবার (৪ জুন) বিকেলে গণভবনে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি একথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার ৯৯তম, শততম, ১০১তম, ১০২তম, ১০৩তম এবং ১০৪তম জন্মবার্ষিকীর প্রতিযোগিতার বিজয়ী ৩০৪ প্রতিযোগির মাঝে এই পুরস্কার বিতরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। তিনি বলেন, ২০০৮ সালে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি। এখন আমাদের ঘোষণা ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। সেজন্য আমরা স্কুলে স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব করে দিয়েছি, কম্পিউটার ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার করে দেওয়া হয়েছে যেখানে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, তথ্য প্রযুক্তি তথা ডিজিটাল সিষ্টেমের প্রসার আমরা ঘটাচ্ছি। তার কারণ প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে আমাদের ছেলে-মেয়েরা পিছিয়ে থাকবে কেন?। তাদেরকেও সেভাবে একটি আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন জাতি হিসেবে গড়ে তুলবো। আর ’৪১ এর যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’, আজকের শিশু ও তরুণরাই হবে সেই স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যত কর্ণধার।

তিনি বলেন, তোমরাই বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেভাবেই আমরা দেশকে গড়তে চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার শিশুদের সুরক্ষায় অনেক আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত বিনামূল্য পাঠ্যপুস্তক প্রদান করছে। বৃত্তি-উপবৃত্তি দিচ্ছে, উচ্চ শিক্ষায় বৃত্তি দিচ্ছে। বিভিন্ন জেলায় জেলায় বিশ^বিদ্যালয় এবং ফ্যাশন ডিজাইন, অ্যারোস্পেস ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বিভিন্ন বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছে। পাশাপাশি বিভাগীয় পর্যায়ে মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠারও উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের গৃহীত এসব পদক্ষেপের ফলে আজকে স্বাক্ষরতার হার যা ২০০৬ সালে মাত্র ৪৫ ভাগ ছিল তা থেকে বর্তমানে ৭৬ দশমিক ৮ ভাগে উন্নীত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান এবং দুঃস্থদের সহায়তার জন্য তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করেছেন।

তিনি এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত সেই ধানমন্ডির বাড়ি যেখান থেকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল তাকে জাদুঘরে পরিণত করেছেন উল্লেখ করে বলেন, শেখ মুজিব তো জনগণের ছিলেন। কাজেই ঐ বাড়ির ওপর এখন আমাদের অধিকার নেই। সেখানে মানুষের অধিকার। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদানের একটি হলোগ্রামও করা হয়েছে। বাড়িটিতে সেই স্মৃতি ধরে রাখার চেষ্টা হয়েছে যেখান থেকে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, বসবাস করেছেন এবং শেষে সপরিবারে তাঁকে যেখানে নির্মমভাবে হত্যাও করা হয়েছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কাজেই সেই বাড়ি আমরা দু’বোন ব্যবহার করবো না, এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি ও বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাশেম খান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category