সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণকে দেয়া ওয়াদা পালন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধানে অন্তত ২ বছর লাগবে : অর্থমন্ত্রী হাঙ্গেরিতে পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১২ শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী প্রকৌশলী শাহজাহান চৌধুরীর ইন্তেকাল, আজ জানাজা ও দাফন সিডনিতে বাংলাদেশি এ কে এম কামরুল ইসলামের মৃত্যু, আজ জানাজা ও দাফন সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৮ ধর্মীয় যুব সেবা কর্মসূচির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে এক দিনের জন্য সবার জন্য খুলছে মিন্টো মসজিদের দরজা বহুসাংস্কৃতিক অস্ট্রেলিয়ায় বর্ণবাদ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে রাজপথে হাজারো শিক্ষার্থী

বাতাসে আগুনের তাপ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩০১ Time View

কয়েক দিন ধরে সকাল থেকেই বাড়ছে রোদের তেজ। দুপুর ১২টার দিক থেকে মাথার ওপর খাড়াখাড়ি যে তাপ দিচ্ছে সূর্য তাতে পথঘাট সব আগুনের মতো গরম হয়ে উঠছে। পায়ের তলা থেকে যেন জ্বলন্ত আগুনের তাপ বের হচ্ছে। রিকশায় বা গাড়িতে চড়লে সে তাপ সরাসরি মুখে এসে লাগছে। ঢাকাসহ সারা দেশে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা তৈরি হয়েছে। অসহনীয় এ গরমের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে।
শনিবার (২০ এপ্রিল) যশোরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। অতি তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ওই জেলা। চুয়াডাঙ্গায়ও অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাবনার ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দাবদাহে পাবনা শহরে হিট স্ট্রোক করে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ঢাকায় আজ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ঘর পার করেছে।

দাবদাহে স্বস্তি পেতে শরীর-মন যখন ছায়া খোঁজে, তখন রুটি-রুজির জন্য বাধ্য হয়ে ঘর থেকে বের হতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। গরমে ঘেমে নেয়ে একাকার হচ্ছেন রিকশা ও ভ্যানচালকরা।
যাত্রী নিয়ে মগবাজার থেকে মালিবাগ রেলগেট হয়ে রামপুরা পর্যন্ত এসেছেন রিকশাচালক ইদ্রিস আলী। তিনি বলেন, এত গরমে জীবন আর চলে না। দেখেন না ঘামে পুরো শরীর ভিজে গেছে। যাত্রীও খুব কম, খুব প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। আমার মতো যারা শ্রমজীবী তাদের গরম-শীত-বৃষ্টি কী? প্রতিদিন বের হতে হয়। রোদে পুড়ে যাচ্ছি, শরীর বেয়ে ঘাম পড়ছে, তবুও যাত্রী টানতে হচ্ছে। মাঝে মাঝে যাত্রী না থাকলে কোনো গাছ পেলে তার নিচে শরীর জুড়িয়ে নিচ্ছি। কাজে বের না হলে তো পরিবারের সবাইকে না খেয়ে থাকতে হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category