মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সারাদেশে ধাপে ধাপে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিস্তারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ দেশের ৮ জেলায় ভারী বৃষ্টিতে বন্যা হতে পারে গ্রেফতার মেজর মোজাফফরের বিচার হবে সেনা আদালতে দেশপ্রেম-সততার সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে মার্কিন হামলা বিমানবন্দরে ফলের ক্যারেটে লুকানো ছিল ১৬ কেজি স্বর্ণ প্রবাসীদের জন্য ১০ সুবিধা নিয়ে আগামী মাসে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না আলজেরিয়ায় শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুনে শিশুসহ নিহত ১১ রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে জুতার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৪ Time View
যুক্তরাষ্ট্রের দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির সম্ভাব্য ভূমিকা তদন্তের আওতায় এনেছে কর্তৃপক্ষ। ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমেয়াইর স্থানীয় সময় সোমবার (২৭ এপ্রিল) জানিয়েছেন, তার দফতর ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ)-এর এই হত্যাকাণ্ড যুক্ত করছে।
হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ২৬ বছর বয়সী হিশাম আবুঘারবিয়েহের বিরুদ্ধে তার রুমমেট জামিল লিমন ও তার বন্ধু নাহিদা বৃষ্টিকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। নিহত দুজনই ছিলেন বাংলাদেশি এবং বয়স ছিল ২৭ বছর। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত ১৬ এপ্রিল তাদের দেখা যায়। পরে লিমনের মরদেহ একাধিক প্লাস্টিক ব্যাগে করে ফেলে দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আরেকটি মরদেহের খণ্ডিত অংশ কাছাকাছি জলাশয় থেকে উদ্ধার করা হলেও সেটির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, ঘটনার কয়েক দিন আগে সন্দেহভাজন ব্যক্তি চ্যাটজিপিটিকে একাধিক প্রশ্ন করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল- ‘কাউকে কালো গার্বেজ ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দিলে কী হয়?’ আগ্নেয়াস্ত্র ও গাড়ির পরিচয় সংক্রান্ত প্রশ্ন, ‘নিখোঁজ ঝুঁকিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক’ বলতে কী বোঝায়?
এই তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্তকারীরা মনে করছেন, অপরাধ পরিকল্পনায় প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার ছিল। জেমস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমেয়াইর বলেন, প্রধান সন্দেহভাজন চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেছেন—এই তথ্য জানার পর আমরা ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে আমাদের ফৌজদারি তদন্ত সম্প্রসারণ করছি।
তবে ওপেনএআই–এর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি একটি ভয়াবহ অপরাধ। আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানাই এবং তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করব।
বর্তমানে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জামিন ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ফার্স্ট-ডিগ্রি (পূর্বপরিকল্পিত) হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের দায় কতটা প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ওপর বর্তাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category