শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিডনিতে শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে সিডনি বাঙালি কমিউনিটি ইনকের জমজমাট শারদীয় এক্সিবিশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বাঙালিয়ানার মিলনমেলা ৪৩ লাখ কৃষক এ বছর কৃষক কার্ড পাবেন : কৃষিমন্ত্রী যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে ৫ লাখ ডেঙ্গু টেস্ট কিট দিলো যুক্তরাষ্ট্র দেশের সব উপজেলা হাসপাতাল ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর সিডনিতে এথনিক বাজারের দুর্গাপূজা প্রদর্শনী, সংস্কৃতির সঙ্গে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রাণের মেলা প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: সালাহউদ্দিন আহমদ উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হলভর্তি উচ্ছ্বসিত দর্শকের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজনে পালিত হলো ‘আমাদের কথা’র ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

টিকাদানের সক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করবে ডিএনসিসি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৯৯ Time View

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সবার আগে স্মার্ট নাগরিক প্রয়োজন। আজকে যারা শিশু তারাই আগামী দিনের স্মার্ট নাগরিক। তাই সবাইকে শতভাগ টিকার আওতায় আনা হবে।

এ সময় তিনি টিকাদানে ডিএনসিসির সক্ষমতা আরো বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয় নগরভবনে আয়োজিত E-Tracker, GIS-Based Online Micro Planning & Real-Time Reporting প্রোগ্রামে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিশুদের যদি যথাসময় টিকা দেওয়া সম্ভব হয় তাহলে ছোট থেকেই তার সুস্থ সবল থাকবে। এর জন্য যদি সিটি কর্পোরেশনের আরো ভ্যাকসিনেটর প্রয়োজন হয় সিটি কর্পোরেশন সেটারও ব্যবস্থা করবে।

তিনি আরো বলেন, এক সময় এই দেশে টিকাদান কার্যক্রম চালানো অনেক কঠিন ছিল। টিকাদানে বাংলাদেশ আজ সফলতা অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্জন করেছেন ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কার। এটাই বাংলাদেশ, এটাই বাংলাদেশের সফলতা।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন ই-ট্র্যাকার জিআইসের কল্যাণে সকল শিশুদের তথ্য আমাদের কাছে চলে আসছে। এটা ভবিষ্যত পরিকল্পনার জন্য ভালো একটা উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেনটেটিভ ইমা ব্রিংহাম, ডব্লিউএইচও’র টিমলিডার-আইভিডি ডা. রাজেন্দ্র বহরা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে. জেনা. ইমরুল কায়েস চৌধুরী প্রমুখ।

উল্লেখ, এই ডিজিটাল প্লাটফর্ম এর আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন টিকাদান কর্মসূচিতে ইউনিসেফের সহযোগীতায় ই-ট্র্যাকার কার্যক্রম অক্টোবর ২০২৩ হতে এবং জিআইএস বেইজড অনলাইন মাইক্রোপ্ল্যান ও ডেইলী রিপোর্টিং জানুয়ারি ২০২৪ হতে সফলভাবে চলছে। ইপিআই কর্মসূচিকে অধিকতর সাফল্যমন্ডিত করার লক্ষ্যে ইউনিসেফের সহযোগীতায়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ২০১৮ হতে কর্মজীবি মায়ের শিশুদের জন্য সান্ধ্যকালীন টিকাদান কর্মসূচি ও ২০২৩ হতে ফ্রাইডে সেশন পরিচালনা করা হচ্ছে। ২০২২ হতে ডিএনসিসিতে ৮৫ জন টিকাদান কর্মী ইপিআই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যাদের মাধ্যমে ১৭০টি টিকাদান কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ২০২৩ সালে ৭৯ হাজার ৫৩২টি শিশু ও ২০২৪ সালে ৩৯ হাজার ৫৯১টি শিশু টিকাদান সেবা গ্রহণ করেছেন। ডিএনসিসি ১ লাখ ২০ হাজার শিশু লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ই-ট্র্যাকারে ৮২ হাজার (৭০%) শিশু রেজিস্ট্রার করা হয়েছে। সেই সাথে শতভাগ জিআইএস বেইজড অনলাইন মাইক্রোপ্ল্যানিং সম্পন্ন হয়েছে ও ডেইলি অনলাইন রিপোর্টিং চলমান রয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালে ১ হাজার ৯৩৬টি জিরো ডোজ ও ১১ হাজার ১৭০টি আংশিক টিকা প্রাপ্ত এবং ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত ১ হাজার ৮১টি জিরো ডোজ ও ৮ হাজার ৫১১টি আংশিক টিকা প্রাপ্ত শিশু খুঁজে বের করা হয়েছে ও টিকা প্রদান করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category