শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীতে ২২৭ ভারতীয়, নিহত ৫১ দেশে ফিরল লিবিয়ায় বন্দি ১৭৪ বাংলাদেশি পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান মানসিক সুস্থতায় সিডনিতে ‘মি. পারফেক্ট’–এর মাসিক বারবিকিউ, ২৭ সেপ্টেম্বর প্রথম বর্ষপূর্তি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মেলবোর্নে মহানবী (সা.)-এর পবিত্র জন্মবার্ষিকী উদযাপন ডিএমপিতে ২৪ ঘণ্টায় ৫২২ জন গ্রেফতার নেপাল-তিব্বতে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ৭৯৪ নেপালের দুর্যোগে সংহতি, সিডনিতে ‘স্ট্যান্ড উইথ নেপাল’ কর্মসূচি নেপাল-তিব্বত বন্যায় ৩৯ অস্ট্রেলিয়ান নিখোঁজ, ৫ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা অস্ট্রেলিয়ার

হামের উপসর্গ নিয়ে ১৯ দিনে দেশে ৯৪ শিশুর মৃত্যু

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮১ Time View
স্বাস্থ্য অধিদফতর গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে ৯৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে। তবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত হামের কারণে ৯ শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ৭১১ জন শিশুর শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আজ (শুক্রবার) স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এ ছাড়া দেশের বর্তমান হাম পরিস্থিতির সার্বিক চিত্রও বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হাম সন্দেহে ৫ হাজার ৭৯২ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় ৭৭১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে মোট ৩১৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৯৪৭টি শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮ জন ঢাকা বিভাগের। এই ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ বিভাগে নতুন কোনো হাম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। এ ছাড়া খুলনা ও সিলেট বিভাগে ৫ জন করে এবং চট্টগ্রামে ৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ১ জন করে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
হামের জীবাণু শরীরে প্রবেশের পর লক্ষণ প্রকাশ পেতে কমপক্ষে ১০-১৪ দিন সময় লাগে। ফলে কার মাধ্যমে এবং কখন ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে তা বোঝা কঠিন। হামের প্রাথমিক উপসর্গগুলো হলো, সর্দি, কাশি, তীব্র জ্বর (১০৩-১০৫°F), চোখ লাল হয়ে যাওয়া ও চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং গালের ভেতরে ছোট সাদা দাগ বা কপ্লিক স্পটের আবির্ভাব। এ উপসর্গগুলো সাধারণত ৪-৭ দিন স্থায়ী হয়।
হামের সবচেয়ে দৃশ্যমান লক্ষণ হলো ত্বকে লাল ফুসকুড়ি (র‍্যাশ)। র‍্যাশ সাধারণত সংক্রমণের ৭-১৮ দিন পরে শুরু হয়, প্রথমে মুখ ও গলার উপরের অংশে দেখা যায়। এটি প্রায় ৩ দিনের মধ্যে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, শেষ পর্যন্ত হাত ও পা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। র‍্যাশ সাধারণত ৫-৬ দিন স্থায়ী হয়, তারপর ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।
অধিকাংশ হাম আক্রান্ত রোগী রোগের সূচনা থেকে ৭-১০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে এবং শরীরে আজীবন রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় এবং দ্বিতীয়বার হামে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। হাম ভাইরাস সংক্রমণের পর মানবদেহ মূলত হিমাগ্লুটিনিন (H) প্রোটিনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং এ অ্যান্টিবডিই পরবর্তী সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category