ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেরিয়ে তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তাসনিম জারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
দুইজন ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে গরমিল পাওয়া গেছে জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন, আমি ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যে মনোনয়ন আবেদন পত্র দিয়েছিলাম, সেটা আপাতত গৃহীত হয়নি। কিন্তু আমরা আপিল করব। আপিল করার প্রক্রিয়া আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করেছি। কারণ হিসেবে যেটা নির্বাচন কমিশন বলেছে, আপনারা জানেন যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য বিধি অনুযায়ী এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নিতে হয়। সেই এক শতাংশ ভোটারের সংখ্যা যা হয়, তার চেয়ে আমরা বেশি স্বাক্ষর সাবমিট করেছি। প্রায় ২০০ মতো বেশি ছিল। সেখান থেকে উনারা ১০ জনের ভেরিফিকেশন করতে গিয়েছেন, সত্যতা যাচাই করতে গিয়েছেন। সেখানে আটজনের তথ্য সঠিক পেয়েছেন। দুইজনের ক্ষেত্রে উনারা মানুষটাকে খুঁজে পেয়েছেন, সত্যতা যাচাই করতে পেরেছেন। কিন্তু সেই দুইজন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার ছিলেন না। উনারা জানতেন ঢাকা-৯ এর ভোটার। একজনের বাসায় খিলগাঁও। খিলগাঁও যেহেতু ঢাকা-৯। উনি জানতেন যে ঢাকা-৯ এর ভোটার। তার জানার কোনো উপায় ছিল না, যে সে ঢাকা-৯ এর ভোটার না।
তিনি আরও বলেন, দুইজনের ক্ষেত্রেই তাদের জানার কোনো উপায় ছিল না যে তারা কোন এলাকার ভোটার। আর ঢাকা-৯ এর ভোটার না। উনারা জানতেন যে ঢাকা-৯ এর ভোটার। সে অনুযায়ী উনারা স্বাক্ষর দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কোনো উপায় রাখে নাই। ভোটারদের জানার জন্য যে তারা কোন আসনের ভোটার।
গত ২৭ ডিসেম্বর এক ফেসবুক পোস্টে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের পর ঢাকা–৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন তাসনিম জারা। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী সমঝোতার প্রেক্ষাপটে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।