সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্ল্যাকওয়াটল বে-তে উদ্বোধন হলো নতুন সিডনি ফিশ মার্কেট, উপচে পড়া ভিড় বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ‘সম্পূর্ণ ভুল’ : ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান সাভারে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টার থেকে ২ মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে ট্রাক খালে পড়ে এক পরিবারের ১৪ জন নিহত আজ পবিত্র শবে মেরাজ রাজধানীর উত্তরায় ভবনে আগুন, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ ফাগুন হাওয়া ফেস্ট ২০২৬: সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে টিকিট লঞ্চ ও প্রস্তুতি সভা না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন চিত্রজগতের স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব: জয়শ্রী কবির

১৯ দেশের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪০ Time View

ইউরোপের বাইরে থাকা ১৯টি দেশের সব ধরনের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া অস্থায়ীভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলো এমন ১৯ দেশের নাগরিকদের ওপর, যারা এরই মধ্যে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন। এতে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় আরও কঠোর বিধিনিষেধ যোগ হলো—যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের অন্যতম মূল প্রতিশ্রুতি। তালিকায় আফগানিস্তান ও সোমালিয়ার মতো দেশও রয়েছে।

নতুন নীতির ব্যাখ্যা দেওয়া সরকারি স্মারকে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে মার্কিন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় আফগানিস্তানের এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই হামলায় এক গার্ড সদস্য নিহত হন এবং আরেকজন গুরুতর আহত হন।

সম্প্রতি ট্রাম্প সোমালিদের বিরুদ্ধেও কথার আক্রমণ বাড়িয়েছেন এবং বলেছেন, ‘আমরা তাদের আমাদের দেশে চাই না।’ এ বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প অভিবাসন আইন প্রয়োগে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ফেডারেল এজেন্ট পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় শহরে এবং যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তার প্রশাসন এতদিন মূলত অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার অভিযানকে গুরুত্ব দিলেও এবার তারা বৈধ অভিবাসন কাঠামোতেও পরিবর্তনের দিকে ঝুঁকছে। জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে বৈধ অভিবাসন সীমিত করতেই ট্রাম্প প্রশাসন জোর দিচ্ছে এবং এর জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নীতিকে দায়ী করা হচ্ছে।

বুধবার প্রকাশিত স্মারকে যে ১৯টি দেশকে লক্ষ্য করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়াটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং ইয়েমেন—যাদের ওপর জুনে সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধ, এমনকি প্রায় সম্পূর্ণ প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করা হয়েছিল।

বাকি দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান এবং ভেনেজুয়েলা—যারা জুনে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় পড়েছিল। নতুন নীতিতে এসব দেশের নাগরিকদের সব আবেদন স্থগিত করা হয়েছে এবং নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে প্রতিটি আবেদনকারীর ওপর সম্পূর্ণ পুনঃপর্যালোচনা চালাতে হবে।

প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকারও হতে পারে, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করা যায়। স্মারকে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীদের দ্বারা সংঘটিত কয়েকটি অপরাধের ঘটনাও এই সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে।

সূত্র: রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category