বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত, নিহত ৪ প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংকে চালু হচ্ছে শরীয়াভিত্তিক ঋণ প্রদান কার্যক্রম : আসিফ নজরুল দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশল প্রণয়ন করেছে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা গণভোট ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্ধারণ করবে: আলী রীয়াজ চালু হচ্ছে ফ্রিল্যান্সারদের সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সিডনিতে ‘ম্যাজিক ওয়ার্ড’ নাটকের সফল প্রিমিয়ার-শো অনুষ্ঠিত ‘ভরা থাক স্মৃতিসুধায়’- সিডনিতে অজয় দাশগুপ্তের জন্মদিন ও সোহরাব হাসানের সংবর্ধনা মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ ভিসা বন্ড শর্তাবলি পুনর্বিবেচনা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: আন্ডার সেক্রেটারি

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২১

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৭৫ Time View

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে ভূমিধসে বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে এবং এখনও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

তারা জানান, উদ্ধারকারীরা খারাপ আবহাওয়া এবং প্রবল স্রোতের বিরুদ্ধে লড়াই করে জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দোনেশিয়ার পেকালোঙ্গান থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

সোমবার মধ্য জাভা প্রদেশের পেকালোঙ্গান শহরের কাছে একটি পাহাড়ি এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে ভূমিধস হয়, ফলে, সেতু ভেঙে পড়ে এবং গাড়ি ও ঘরবাড়ি চাপা পড়ে যায়।

নিকটবর্তী শহর সেমারাংয়ের অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান বুদিওনো এএফপিকে বলেছেন, আজ সকালে আমরা ২১ জন নিহত ব্যক্তিকে খুঁজে পেয়েছি এবং আরো পাঁচজনের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কাসিম্পার গ্রামে স্থানীয় কর্মকর্তার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ এবং একটি ক্যাফেতে অনুসন্ধানের জন্য ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে আরো হতাহতরা বৃষ্টি থেকে বাঁচতে আশ্রয় নেওয়ার সময় চাপা পড়ে থাকতে পারে।

বুদিওনো বলেন, ’আমরা ওই দুটি স্থান এবং কাছাকাছি নদীর দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।’ স্রোতের কারণে হতাহতদের নদীতে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা বাসার্নাসের মতে, ভূমিধসে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন।

বুদিওনো বলেন, উদ্ধারকারীরা রাস্তা থেকে ঘন কাদা এবং ধ্বংসস্তপ পরিষ্কার করতে শুরু করেছেন।

ইন্দোনেশিয়ায় বর্ষাকালে সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে ভূমিধসের প্রবণতা বেশি থাকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট কিছু দুর্যোগ মৌসুমের পরেও ঘটছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝড়ের তীব্রতাও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে ভারী বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা এবং শক্তিশালী ঝড়ো হাওয়া দেখা দিয়েছে।

মে মাসে, পশ্চিম সুমাত্রায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার ফলে কমপক্ষে ৬৭ জন মারা যায়। মারাপি পর্বতের অগ্ন্যুৎপাত থেকে ছাই, বালি এবং নুড়িপাথরের মিশ্রণ আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category