বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের বৈঠক চুক্তি না হলে ইরানকে ‘ধ্বংস’ করার হুমকি ট্রাম্পের সিডনিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের এজিএম, নতুন কমিটি ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ক্যাম্পবেলটাউন ঈগলসের প্রথম হাইকিং, হাঁটায় স্বাস্থ্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিখোঁজের একদিন পর কুবি শিক্ষকের ছেলের মরদেহ উদ্ধার ফিলিপাইনে স্কুলে গুলি, নিহত ৩ শিক্ষার্থী দেশের প্রথম ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পের অনুমোদন, চলবে যেসব রুটে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ২৩৪ শ্রমিক আটক একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, জানবেন যেভাবে

ম্যাকুরিফিল্ডে জমজমাট আড্ডার নতুন ঠিকানা: টং

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৭২ Time View

সিডনির ম্যাকুরিফিল্ডে বাঙালিদের আড্ডা আর নস্টালজিয়ার নতুন এক ঠিকানা হয়ে উঠেছে সদ্য চালু হওয়া “টং”। ভালোবাসা দিবসের বিকেলে জমে ওঠা এই নতুন দোকানে গিয়ে যেন ফিরে পাওয়া গেল ঢাকার কোনো চেনা গলির টং দোকানের আবহ।

গরম গরম কাপভরা ঘন, কড়া স্বাদের চায়ের সাথে পরিবেশন করা হচ্ছে মচমচে ঘরের মুড়ি মাখা, তুলতুলে নরম মিনি চিতই পিঠা এবং জিভে জল আনা তিন রঙের ভর্তার সমারোহ , সবুজ ধনে পাতা ভর্তা, কমলা রঙা ঝাল মরিচ ভর্তা আর খয়েরি শুঁটকি ভর্তা। প্রতিটি পদেই ছিল ঘরের স্বাদ, যা প্রবাসে থাকা বাঙালিদের জন্য আলাদা এক আবেগের নাম। তবে এই শেষ নয় …. দারুন সব আকর্ষণীয় নামের রয়েছে আরো অনেক রকম খাবারের লম্বা লিস্ট ।

টং এ আমাদের কথার প্রধান সম্পাদক পূরবী পারমিতা বোস

দোকানের বাইরের দেওয়ালে চোখে পড়ে পুরো দেয়ালজুড়ে রিকশা আর্টে সাজানো রঙিন চিত্রকর্ম । দেয়ালে লেখা মজার মজার কথাগুলো পড়তে পড়তে হাসি থামানো দায় একদিকে খাবারের স্বাদ, অন্যদিকে পরিবেশের উষ্ণতা মিলিয়ে জায়গাটি খুব দ্রুতই হয়ে উঠছে আড্ডাপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায়।

খাদ্যরসিকদের জন্য রয়েছে একটি বড় সুবিধা দোকান সংলগ্ন পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা। ফলে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে নিশ্চিন্তে এসে আড্ডা আর খাবারের স্বাদ উপভোগ করা যাবে কোনো ঝামেলা ছাড়াই।
নতুন এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দর্শনার্থীরা প্রশংসা করেছেন খাবারের মান, পরিবেশ আর আন্তরিক আপ্যায়নের। প্রথম দিনের অভিজ্ঞতায় অনেকেই মুগ্ধ হয়ে ফিরেছেন। তবে নতুন ক্রেতা হিসেবে একটি ছোট্ট অনুরোধ খাবারের কোয়ালিটি ও কোয়ান্টিটি যেন প্রতিবারই প্রথম দিনের মতো অটুট থাকে।

 টং এ জলের গানের রাহুল আনন্দ ও কনক আদিত্য

ম্যাকুরিফিল্ডে বাঙালি সংস্কৃতি আর স্বাদের এমন একটি আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রবাস জীবনে যোগ করেছে এক টুকরো দেশের ছোঁয়া। “টং” শুধু একটি চায়ের দোকান নয়, বরং এটি হয়ে উঠতে পারে প্রবাসী বাঙালিদের মিলনমেলা আর গল্পের আসর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category