সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১২ জুন (শুক্রবার) সন্ধ্যায় মিন্টো এলাকার জমিদার বাড়ি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রবাসী সাংবাদিক, কমিউনিটি নেতা, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, যিনি বর্তমানে তার ব্যক্তিগত সফরে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন। সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব কেরামত উল্লাহ বিপ্লব প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের পাশাপাশি তিনি প্রবাসে বাংলাদেশি পরিচিতি, সংস্কৃতি এবং ইতিবাচক গল্প তুলে ধরার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখে আসছেন।

প্রবাসে বাংলাদেশি সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে তাঁর অবদান এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে ইতিবাচক ভাবমূর্তি গঠনে ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁকে বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত এবং উত্তরবঙ্গ মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা এস এম আব্রাহাম লিংকন। তাঁর উপস্থিতি আয়োজনকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করে তোলে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কথাসাহিত্যিক ড. শাখাওয়াত নয়ন। তিনি পুরো অনুষ্ঠানটি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেন।

সভাপতিত্ব করেন অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি মো. রহমতুল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আব্দুল্লাহ টুটুল। পরে সহ-সভাপতি শফিকুল আলম ও কাজী সুলতানা শিমি বক্তব্য রাখেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ছিলেন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী আব্দুল্লাহ আল নোমান শামীম, কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, কাউন্সিলর এলিজা আজাদ টুম্পা, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন, ড. সিরাজুল হক, আব্দুল রতন খান, গোলাম মোস্তফা, সাংবাদিক নাইম আব্দুল্লাহ, সাংবাদিক পুরবী পারমিতা বোস।
বক্তারা প্রবাসে সাংবাদিকতার ভূমিকা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং বাংলাদেশি সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন। তাঁরা বলেন, প্রবাসী গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আলোচনা শেষে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের জন্য ঈদ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এতে সবাই একসঙ্গে ঈদের আনন্দ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানটি প্রবাসে বাংলাদেশি সাংবাদিক ও কমিউনিটির মধ্যে সম্পর্ক ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় করার এক মিলনমেলায় পরিণত হয়