মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভারতে কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড : ১১ জনের মৃত্যু আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন শিকাগোতে ৩ দিনে ২৪ বন্দুক হামলায় নিহত ৭, গুলিবিদ্ধ ৩৮ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া ইনক (BAOA) বার্ষিক গালা ডিনার ও কালচারাল নাইট উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর : বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শ্রমবাজারে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার সাবেক সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন আর নেই কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৫ প্রবাসী নিহত হামে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ার ভিসা জালিয়াতি চক্রের মূল হোতাসহ আটক ৪

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১২৪ Time View

ভুয়া মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৯৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের মূল হোতাসহ চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর পাইকপাড়ায় র‍্যাব-৪ ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. তারেকুল ইসলাম (৪৫), মো. মাইনুদ্দিন ভূইয়া (৪৮), মো. নেওয়াজ (৪৫) ও আবু হাসান (৪৮)। তাদের মধ্যে তারেকুল ইসলামকে চক্রের মূল হোতা বলে দাবি করেছে র‍্যাব।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অস্ট্রেলিয়ান ভিসা প্রক্রিয়ায় ভিসা প্রাপ্ত ব্যক্তির তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। এই প্রক্রিয়াকে পুঁজি করে ‘টিআই ট্রেডিং কর্পোরেশন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের তৈরি ভুয়া মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জাল কাগজপত্র প্রদর্শন করে ভিসা সম্পন্ন হয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস করাতো। এরপর প্রত্যেকের কাছ থেকে ২১ লাখ টাকা করে আদায় করা হতো।

ভুক্তভোগী মো. শরীফ মোল্লা (২৮) তার স্বজনদের অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর উদ্দেশ্যে ২০২৫ সালের ১২ মে ও পরবর্তী সময়ে আসামি তারেকুল ইসলামের পল্লবী থানাধীন বাসা ও অফিসে গিয়ে ‘এশিয়া ব্যাংক টিআর গ্রুপ’ নামে একটি হিসাবে মোট ৯৪ লাখ টাকা জমা দেন। এ সময় পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও নেওয়া হয়।

পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি ভিসা ও বিমান টিকিট ইস্যু করলেও সংশ্লিষ্ট হাইকমিশনে যাচাই করে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, সব কাগজপত্রই জাল। নির্ধারিত তারিখে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় গেলে তাদের আটকে দেওয়া হয় এবং নথি ভুয়া বলে জানানো হয়।

এ ঘটনায় পল্লবী থানায় মামলা দায়েরের পর র‍্যাব-৪ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার উত্তরা কাওলাবাজার ও যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মূল হোতা তারেকুল ইসলামসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাবের দাবি, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় পাঠানোর নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে আসছিল। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category