শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ৪ জেলায় দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল-২০২৬ সংসদে পাস ফাগুন হাওয়ার মিউজিক্যাল ধামাকা! ইমরান মাহমুদুল প্রথমবার সিডনির মঞ্চে! গান আর ভালোবাসায় ভরপুর আয়োজন! সিডনিতে বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের গ্লোবাল রিইউনিয়ন গ্র্যান্ড ডিনার ও গালা নাইট অনুষ্ঠিত হাদি হত্যার মামলার আসামী ফয়সাল করিমকে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড জাতীয় পুরস্কারজয়ী শিল্প নির্দেশক তরুণ ঘোষের মৃত্যু আবু সাঈদ হত্যা মামলায় এএসআই আমির ও কনস্টেবল সুজনের মৃত্যুদণ্ড যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনেই লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা, নিহত ২৫৪ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস আজ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৬ Time View
3

আজ ২ মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস। একাত্তরের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা ভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা তোলা হয়েছিল। সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝখানে সোনালি মানচিত্র খচিত পতাকা। ওইদিন পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ডাকসুর সহসভাপতি আ স ম আবদুর রব।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগে সাড়া দিয়েছিল আমজনতা।

প্রকৃতপক্ষে সেদিনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি ছাত্র-জনতা স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিমন্ত্রে উজ্জীবিত হয় এবং স্বাধীনতা অর্জনের পথে যাত্রা শুরু করে। পতাকা উত্তোলনই জানান দেয় স্বাধীন বাংলাদেশের বিকল্প নেই।

দীর্ঘ ৯ মাসের বহু ত্যাগ, রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। স্বাধীনতা সংগ্রামের ৯ মাস এই পতাকাই বিবেচিত হয় আমাদের জাতীয় পতাকা হিসেবে।

ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২ মার্চ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষিত হওয়ায় সকাল থেকেই দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ ঢাকার রাজপথে অবস্থান নেয়; ঢাকা পরিণত হয় মিছিলের নগরীতে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর জুলুম, নিগ্রহ, শোষণ আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হতে থাকেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়।

অকুতোভয় ছাত্রসমাজ ও জনতা পাকিস্তানের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে জানিয়ে দেয় বাঙালিরা মাথা নত করবে না।

বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ওই পতাকা সর্বপ্রথম উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রলীগের তৎকালীন নেতা আ স ম আব্দুর রব। তখন ছাত্র সমাবেশের নেতৃত্বে ছিলেন নূরে আলম সিদ্দিকী, আব্দুল কুদ্দুস মাখন, শাহজাহান সিরাজ, আ স ম আব্দুর রব প্রমুখ।

পরে ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডিতে তার নিজ বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

যদিও সেসময় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপ সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝে লাল বৃত্ত ছিল না। তখন সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝে সোনালি মানচিত্র ছিল, যা শিব নারায়ণ দাশ নকশা করেছিলেন।

পরে ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে পতাকার বর্তমান রূপ গৃহীত হয়, যেখানে মানচিত্র বাদ দেওয়া হয়। এর নকশা করেন কামরুল হাসান। সবুজের মাঝে লাল রঙের ভরাট বৃত্তটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category