বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনার মিডিয়ায় বক্তব্য দেওয়ার সঙ্গে ভারতের সরকারের সম্পৃক্ততা নেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব একমাত্র জনগণের : প্রধানমন্ত্রী ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদল-শিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের সংঘর্ষে ৩ বাংলাদেশি নিহত সুদানে ঐতিহ্যবাহী আদালতে ড্রোন হামলা, নিহত ৩৫ শতাধিক কেমোথেরাপি শেষে দেশে ফিরছেন ইলিয়াস কাঞ্চন যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ দাবানলে শত শত বাড়ি-ঘর পুড়ে ছাই হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী

অভিনেতা কোটা শ্রীনিবাস রাও মারা গেছেন

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
  • ২২৯ Time View

ভারতের তেলেগু সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির কিংবদন্তি অভিনেতা ও সাবেক বিধায়ক কোটা শ্রীনিবাস রাও মারা গেছেন।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (১৩ জুলাই) ভোররাতে হায়দরাবাদের ফিল্মনগর এলাকায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যা ও শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

মাত্র তিন দিন আগেই স্ত্রী রুক্মিণী এবং দুই কন্যাকে নিয়ে নিজের জন্মদিন উদ্‌যাপন করেছিলেন অভিনেতা।

জানা যায়, অভিনেতার একমাত্র পুত্র কোটা প্রসাদ রাও ২০১০ সালে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।

তেলেগু সিনেমায় ভিলেন, চরিত্রাভিনেতা ও কমেডিয়ান-প্রতিটি ভূমিকাতেই দর্শক হৃদয় জয় করেছিলেন কোটা শ্রীনিবাস রাও।

তেলেগুর পাশাপাশি তিনি তামিল, হিন্দি, কন্নড় এবং মালয়ালম ছবিতেও অভিনয় করেন। তার মোট চলচ্চিত্রের সংখ্যা প্রায় ৭৫০-এর মধ্যে তামিল ছবিতে ৩০টি, হিন্দিতে ১০টি, কন্নড়ে ৮টি এবং একটি মালয়ালম ছবি অন্তর্ভুক্ত। তার শেষ তেলেগু সিনেমা সুবর্ণ সুন্দরী মুক্তি পেয়েছিল ২০২৩ সালে।

১৯৪২ সালের ১০ জুলাই, অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলার কাঙ্কিপাড়ু গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কোটা। তার মা কোটা সীতারামা অনসূইয়াম্মা ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহকে উৎসাহিত করতেন। ছাত্রজীবনে তিনি নাট্যমঞ্চে অভিনয় শুরু করেন।

চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে তিনি স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়াতে চাকরি করতেন এবং সেইসঙ্গে থিয়েটারে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রাণম খারেদু ছবির মাধ্যমে তেলেগু সিনেমায় তার অভিষেক ঘটে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই অভিনেতাকে।

অভিনয়ের জন্য তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ৯টি নন্দী পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে তাকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি।

চলচ্চিত্রের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন কোটা। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী হিসেবে তিনি ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিজয়ওয়াড়া (পূর্ব) বিধানসভা আসনের এমএলএ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ভারতের চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কোটা শ্রীনিবাস রাওয়ের অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার প্রয়াণে তেলেগু চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category