সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

৩ মার্চ আকাশে দেখা মিলবে ‘রেড মুন’

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৫ Time View

৩ মার্চ, রাতের আকাশে আগমন ঘটবে এক আশ্চর্য মহাজাগতিক দৃশ্যর- ‘রেড মুন’ বা রক্তিম চাঁদ। চন্দ্রগ্রহণের এই ঘটনা আকাশপ্রেমীদের জন্য এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা উপহার দেবে। যদিও পুরো পৃথিবী থেকে এটি দেখা যাবে না, বাংলাদেশসহ অনেক দেশ থেকে আকাশে উজ্জ্বল লালচে চাঁদ দেখতে পাওয়া যাবে।

‘রেড মুন’ আসলে চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের প্রদক্ষিণের ফলে ঘটে। চন্দ্রগ্রহণ তখন হয় যখন পৃথিবী সূর্যের আলোকে চাঁদের ওপর পড়তে দেয় না। তবে, চাঁদ সম্পূর্ণ অন্ধকারে ঢেকে যায় না, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সূর্যের আলো ছড়িয়ে চাঁদে পৌঁছায়। এর ফলে চাঁদ ধূসর নয়, বরং লালচে বা মিষ্টি লালাভ স্বরূপ ধারণ করে। তাই একে বলা হয় ‘রেড মুন’।

বাংলাদেশের আকাশবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ৩ মার্চ রাত প্রায় ৯টার দিকে শুরু হবে এই আংশিক চন্দ্রগ্রহণ এবং মধ্যরাতের পর ১২টা নাগাদ শেষ হবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে নগরীর আলো-বর্জিত স্থানে রঙিন চাঁদকে আরও পরিষ্কারভাবে দেখা যাবে।

৩ মার্চের এই পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে আমেরিকা মহাদেশ, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, পূর্ব এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার আকাশে। পরিষ্কার আকাশ থাকলে খালি চোখেই এই দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। টেলিস্কোপ বা বাইনোকুলার ব্যবহার করলে চাঁদের পৃষ্ঠের রঙ ও ছায়ার পরিবর্তন আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়বে।

প্রতি বছর কিছু চন্দ্রগ্রহণ হয়, কিন্তু সব সময় ‘রেড মুন’ বা রক্তিম চাঁদ দেখা যায় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কতটা দৃষ্টিনন্দন এবং আকর্ষণীয়, তা একবারের অভিজ্ঞতাই পর্যাপ্ত। এটি শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, গবেষকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ কারণ চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রঙ, আলো এবং পৃথিবীর ছায়ার আচরণ পর্যবেক্ষণ করা হয়।

যদিও প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ রক্তিম চাঁদকে বিভিন্ন গল্প এবং কুসংস্কারের সঙ্গে যুক্ত করেছে। অনেক সংস্কৃতিতে একে সৌভাগ্য, নতুন সূচনা বা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে এটি এক প্রাকৃতিক ঘটনা, তবুও আকাশের এই রঙিন দৃশ্য মানুষের কল্পনাশক্তিকে উস্কে দেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category