মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সাক্ষাৎ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভারতে কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড : ১১ জনের মৃত্যু আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন শিকাগোতে ৩ দিনে ২৪ বন্দুক হামলায় নিহত ৭, গুলিবিদ্ধ ৩৮ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া ইনক (BAOA) বার্ষিক গালা ডিনার ও কালচারাল নাইট উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর : বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শ্রমবাজারে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার

মেলবোর্নে লেকে পানিতে ডুবে বাংলাদেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর মৃত্যু, কমিউনিটিতে শোক

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৩ Time View

মেলবোর্নে অধ্যয়নরত এক বাংলাদেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকরামের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় প্রবাসী কমিউনিটিতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গত কয়েক দিন আগে বন্ধুদের সঙ্গে মেলবোর্ন থেকে কয়েক ঘণ্টা দূরের লেক আইলডনে বেড়াতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, লেকে সাঁতার কাটার সময় আকরাম হঠাৎ পানিতে তলিয়ে যান। সঙ্গে থাকা বন্ধুরা দ্রুত তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাকে আর জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে তার মরদেহ করনার অফিসে রয়েছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে পরিবার তার মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আকরাম চট্টগ্রামের বাসিন্দা এবং পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে বড় ছিলেন। পরিবারের কাছে তিনি ছিলেন ভরসার জায়গা ও ভবিষ্যতের আশার প্রতীক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে।

এই ঘটনা আবারও বিদেশে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে। অস্ট্রেলিয়ায় ভ্রমণ বা অবকাশযাপনের সময় প্রাকৃতিক জলাশয়ে নামার আগে নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত নন, তাদের জন্য ঝুঁকি আরও বেশি।

আকরাম দায়িত্বশীলভাবে রিপ্যাট্রিয়েশন ইন্স্যুরেন্স গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা গেছে, যার ফলে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যয় বিমার আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী তাদের স্বাস্থ্য বিমার সঙ্গে এই ধরনের কাভার যুক্ত না করায় দুর্ঘটনার পর পরিবারগুলোকে বড় আর্থিক সংকটে পড়তে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে থাকা শিক্ষার্থীদের উচিত ভ্রমণ, সাঁতার বা আউটডোর কার্যক্রমের সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা এবং নিজেদের বিমা কাভার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা। সামান্য বাড়তি খরচ ভবিষ্যতে পরিবারের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ও মানসিক চাপ কমাতে পারে।

আকরামের অকাল মৃত্যু আমাদের সবাইকে জীবনের অনিশ্চয়তার কথা আবারও মনে করিয়ে দেয়। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। একই সঙ্গে এই মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category