শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন

ইনফ্লেমেশনের ট্রিটমেন্ট হলে কি ডিপ্রেশন ট্রিটমেন্ট হয়ে যাবে?

মো: শফিকুল আলম
  • Update Time : সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪
  • ১০৯ Time View

ইউনিভার্সিটি অব মায়ামি মিলার স্কুল অব মেডিসিন এর সাইকিয়াট্রি এবং বিহেভিয়ারাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক এলিওনোর বিউরেল বলেন যদি প্রদাহ, বিষণ্নতা এবং এর লক্ষণগুলিকে প্রোরোচিত করে বা বাড়িয়ে তুলতে পারে তবে প্রদাহ কমাতে পারলে বিষণ্নতাও কমবে।
তিনি আরও বলেন, “এমনকি যদি প্রদাহ সমস্যাটির কারণ না হয়ে এটি রোগ সংশোধক হয় তবে আপনার সার্কিট্রি পুনরুদ্ধার করার জন্য আপনার থেরাপিউটিকস কার্যকর রাখতে আপনাকে এটির যত্ন নিতে হবে।”
ডিপ্রেসড প্যাসেন্টস ট্রিটমেন্টে এন্টি-ইনফ্লেমেটোরি ড্রাগস কখনো এককভাবে আবার কখনো সংযুক্তভাবে স্ট্যান্ডার্ড এন্টি-ডেপ্রিজ্যান্টস এর সাথে কাজ করতে পারে।
২০১৯ এর মেটা-এ্যানালাইসিসে ১০,০০০ প্যাসেন্টের ওপর ৩৬ টি ক্লিনিক্যাল ট্রাইলে দেখা যায় বিভিন্ন এন্টি-ইনফ্লেমেটোরি এজেন্টস যেমন NSAIDs, cytokine এবং statins ডিপ্রেসিভ সিম্পটম ইমপ্রুভ করতে পারে।
তবে অতি সম্প্রতি পরিচালিত বড় আঁকারের ক্লিনিক্যাল ট্রাইলে ডিপ্রেসড প্যাসেন্টেস এর ক্ষেত্রে এন্টি-ইনফ্লেমেটোরি ড্রাগস উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখেনা। কারন, ডিপ্রেশনের ক্ষেত্রে একই কৌশল সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। In case of depression a one-size-fits-all approach cannot be used. ডিপ্রেশন হচ্ছে একটি নানাধর্মী রোগ। সুতরাং একই ধরনের এ্যাপ্রোচ ফলদায়ক হবেনা। যাদের ক্ষেত্রে এন্টি-ইনফ্লেমেটোরি ড্রাগস কাজ করে বা ইনফ্লেমেশন দূর করা গেলে যাদের ডিপ্রেশন লোপ পায় তাদের ক্ষেত্রেই এই ড্রাগস প্রয়োগযোগ্য হবে।
তবে অধ্যাপক মিলার বলেন অধিকাংশ ক্লিনিক্যাল ট্রাইয়েলসএ প্যাসেন্টস এর ইনফ্লেমেশন লেভেল তুলনা করা হয়না; কিন্তু গবেষনা পরবর্তী বিশ্লেষণে দেখা যায় ডিপ্রেসড প্যাসেন্টস যাদের ইনফ্লেমেশনও রয়েছে তাদের ডিপ্রেশন রোধে এন্টি-ইনফ্লেমেটোরিজ কাজ করে।
অধ্যাপক মিলার এবং রেইসনের একটি নিয়ন্ত্রিত কিন্তু রেন্ডম ট্রায়ালে ডিপ্রেসড প্যাসেন্টস এর ইনফ্লেমেশন এলিমিনেট করে সাইটোকিন ইনহিবিটর দেয়ায় ট্রিটমেন্ট-রেসিসট্যান্ট ডিপ্রেশন প্যাসেন্টস ভালো হয়ে গেছে।
অধ্যাপক মিলারের মতে ভবিষ্যৎ গবেষকদের ডিপ্রেশন যে নানাধর্মী হয়ে থাকে গবেষনার ক্ষেত্রে সে বিষয়টি মনে রাখতে হবে। যারা নির্দিষ্টভাবে ইনফ্লেশন সিম্পটমের কারনে ডিপ্রেসড হতে পারেন বলে মনে হয় যেমন এ্যানহেডোনিয়া এবং সাইকোসোম্যাটিক স্লোয়িং ইত্যাদি যা’ আবার অন্য কোনো ট্রিটমেন্টের কারনেও হতে পারে এসব বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে।
অধ্যাপক মিলার বলেন তবে ডিপ্রেশন ট্রিটমেন্টে চিকিৎসাবিজ্ঞান যথাস্থানে পৌঁছেছে। গবেষকগন টিপিং পয়েন্টে রয়েছেন এবং ইমিউন সিস্টেমকে টার্গেট করতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে ডিপ্রেশন ট্রিটমেন্টে ব্রেইনের নিম্নমুখী ইফেক্টসও টার্গেট করে ব্যবস্থা গ্রহনে এই পর্যায়ে সক্ষম।

The Washington Post’s Well+Being desk.

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category