শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বজুড়ে নারীদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া প্রবাসীদের জন্য হটলাইন চালু সিডনি বাঙ্গালী কমিউনিটি ইনক.-এর আয়োজনে আগামীকাল মিন্টো ইনডোর স্পোর্টস সেন্টারে ‘ঈদ এক্সিবিশন ২০২৬’ আজ মধ্যপ্রাচ্যগামী যেসব ফ্লাইট চালু আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ: স্বাধীনতার ডাকের স্মরণে জাতি ক্যাম্বেলটাউনে মেয়রের আয়োজনে রমজানের ইফতার, অংশ নিলেন বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষ রাশমিকার বিয়েতে নজর কাড়ল ৩ কেজি সোনার গয়না রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ১০ সিডনির ওরান পার্কে আন্তর্জাতিক নারী দিবস এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজন করা হচ্ছে “‌হেনা অ্যান্ড হেরিটেজ – ঈদ আল ফিতর ২০২৬”

অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে নিখোঁজ নারীর মরদেহ উদ্ধার

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৮ Time View

নিখোঁজ হওয়ার দুই মাস পর সাভারের আশুলিয়া থেকে রেহেনা পারভীন (৩৫) নামে এক নারীর মাটিতে পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে সাভারের আশুলিয়ার মনোদিয়া এলাকার চওরাপাড়া গ্রামে নিহত রেহেনার ননদ পাপিয়া আক্তারের বাড়ির আঙিনা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রেহেনা ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার পাতিলা গ্রামের লেহাজ উদ্দিনের মেয়ে। তিনি স্বামী আওলাদ হোসেন ও চার সন্তান নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করতেন।

রেহেনার পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ২৯ জুন রেহেনা পারভীন অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসেন। পরদিন ৩০ জুন তিনি বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি যান। সেখানে কয়েকদিন থাকার পর ৩ জুলাই তিনি তার বাবার বাড়িতে ফোনে করে জানান যে তাকে মারধর করা হয়েছে। তারপর থেকেই নিখোঁজ হন রেহেনা। পরে ৩ জুলাই নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি ও ০৮ সেপ্টেম্বর চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করে নিহত রেহেনার পরিবার। তাতে আসামি করা হয় স্বামী আওলাদ হোসেন, তার চাচা আমজাদ হোসেন ও ননদ পাপিয়া আক্তার। এছাড়া মাকসুদা নামে আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর রেহেনার চাচা আমজাদ হোসেন ও ননদ পাপিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর পুলিশের তদন্তে তার ননদ ও চাচাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে রেহেনার মরদেহে খোঁজ মেলে। তবে রেহেনার স্বামী আওলাদ হোসেন পলাতক আছেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর মোহাম্মদ খান জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই আশুলিয়া থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক বিরোধের কারণেই তাকে হত্যা ও পরে মাটিতে পুঁতে রাখা হতে পারে। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category