বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তাসমানিয়ায় সেন্ট হেলেন্সে দাবানল পরিস্থিতি অবনতি: ঘরবাড়ি ধ্বংস, ‘তৎক্ষণাৎ সরে যাওয়ার’ নির্দেশ কাভার্ডভ্যানের পেছনে মালবাহী ট্রাকের ধাক্কা, চালকসহ নিহত ২ শুল্ক বসালে দুই মিনিটেই সমস্যার সমাধান: ট্রাম্প ১১ মাসে বিদেশ গেছে ১০ লাখের বেশি কর্মী ইন্দোনেশিয়ায় বহুতল ভবনে আগুন, নিহত ২০ উত্তর-পূর্ব জাপানে ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প ৯০ হাজার মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ ভিয়েতনামে কসমেটিক সার্জারি করাতে গিয়ে জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে পার্থের এক মা বাংলাদেশে উপেক্ষিত আরহাম ডাক পেলেন অস্ট্রেলিয়া দলে মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া

অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে নিখোঁজ নারীর মরদেহ উদ্ধার

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৪৭ Time View

নিখোঁজ হওয়ার দুই মাস পর সাভারের আশুলিয়া থেকে রেহেনা পারভীন (৩৫) নামে এক নারীর মাটিতে পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে সাভারের আশুলিয়ার মনোদিয়া এলাকার চওরাপাড়া গ্রামে নিহত রেহেনার ননদ পাপিয়া আক্তারের বাড়ির আঙিনা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রেহেনা ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার পাতিলা গ্রামের লেহাজ উদ্দিনের মেয়ে। তিনি স্বামী আওলাদ হোসেন ও চার সন্তান নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করতেন।

রেহেনার পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ২৯ জুন রেহেনা পারভীন অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসেন। পরদিন ৩০ জুন তিনি বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি যান। সেখানে কয়েকদিন থাকার পর ৩ জুলাই তিনি তার বাবার বাড়িতে ফোনে করে জানান যে তাকে মারধর করা হয়েছে। তারপর থেকেই নিখোঁজ হন রেহেনা। পরে ৩ জুলাই নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি ও ০৮ সেপ্টেম্বর চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করে নিহত রেহেনার পরিবার। তাতে আসামি করা হয় স্বামী আওলাদ হোসেন, তার চাচা আমজাদ হোসেন ও ননদ পাপিয়া আক্তার। এছাড়া মাকসুদা নামে আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর রেহেনার চাচা আমজাদ হোসেন ও ননদ পাপিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর পুলিশের তদন্তে তার ননদ ও চাচাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে রেহেনার মরদেহে খোঁজ মেলে। তবে রেহেনার স্বামী আওলাদ হোসেন পলাতক আছেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর মোহাম্মদ খান জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই আশুলিয়া থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক বিরোধের কারণেই তাকে হত্যা ও পরে মাটিতে পুঁতে রাখা হতে পারে। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category