এপ্রিল থেকে জুন প্রান্তিকে অস্ট্রেলিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০.২ শতাংশ। দেশটিতে গত এক বছরে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ শতাংশ। মহামারির সময়কালকে (২০২০ সাল) বাদ দিলে গত ৩০ বছরের মধ্যে প্রবৃদ্ধির এই হার সর্বনিম্ন। গত বুধবার অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকস এই তথ্য জানিয়েছে। অথচ মহামারির আগে গত তিন দশকে মসৃণ গতিতে বড় হয়েছে দেশটির অর্থনীতি। এমনকি বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়াই একমাত্র দেশ, যারা বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব এড়াতে পেরেছে। মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার গত প্রান্তিকে দাঁড়ায় ০.৪ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ের তুলনায় কমেছে ১.৫ শতাংশ। গত ছয় প্রান্তিক ধরেই তাদের মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কমছে। অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারার জিম চ্যালমার্স...
5
এপ্রিল থেকে জুন প্রান্তিকে অস্ট্রেলিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০.২ শতাংশ। দেশটিতে গত এক বছরে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ শতাংশ। মহামারির সময়কালকে (২০২০ সাল) বাদ দিলে গত ৩০ বছরের মধ্যে প্রবৃদ্ধির এই হার সর্বনিম্ন। গত বুধবার অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকস এই তথ্য জানিয়েছে।
অথচ মহামারির আগে গত তিন দশকে মসৃণ গতিতে বড় হয়েছে দেশটির অর্থনীতি। এমনকি বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়াই একমাত্র দেশ, যারা বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব এড়াতে পেরেছে। মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার গত প্রান্তিকে দাঁড়ায় ০.৪ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ের তুলনায় কমেছে ১.৫ শতাংশ।
গত ছয় প্রান্তিক ধরেই তাদের মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কমছে। অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারার জিম চ্যালমার্স এই পরিস্থিতির জন্য রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়াকে (আরবিএ) দায়ী করেছেন। ২০২২ সালের মে থেকে ১৩ দফায় সুদের হার বাড়িয়েছে আরবিএ। এতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বেড়েছে মূল্যস্ফীতি।সূত্র : আলজাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান