সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিডনিতে বাংলাদেশ পূজা অ্যাসোসিয়েশনের দশম মহালয়া উদ্‌যাপন সিডনিতে বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘আভা মহালয়া ও মেলা ২০২৬’ এত যুদ্ধ থামিয়েও নোবেল পেলাম না : ট্রাম্প ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে টিকটকের বিজ্ঞাপনে নিষেধাজ্ঞা দিল মেটা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, সড়ক অবরোধ পরীক্ষার্থীদের দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক শর্টকাটের কথা বলে নির্জন পথে নিয়ে তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা ক্ষমতার জন্যে নয়, রাজনীতি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য: এলজিআরডি মন্ত্রী শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই অস্ট্রেলিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত

পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দী সিলেটের ৬ লাখ মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১ জুন, ২০২৪
  • ৩০৪ Time View

সিলেটের পাঁচ উপজেলার বেশিরভাগ স্থানে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ভারতের পাহাড়ি ঢলের প্রকোপ হ্রাস পেয়েছে। তবে সিলেটের প্রধান নদী সুরমা, কুশিয়ারাসহ বেশ কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন অন্তত ৬ লাখ মানুষ।
এদিকে শুক্রবার (৩১ মে) তেমন বৃষ্টিপাত না হলেও উজানের পানি নিচের দিকে নেমে বন্যা পরিস্থিতি বিস্তৃত হচ্ছে। সিলেটে নগরীর মাছিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি ঢুকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, সুরমা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। নগরের কাজিরবাজারসহ যেসব ড্রেন সুরমায় পড়েছে, সেসব ড্রেন দিয়ে পানি নিষ্কাশনের বদলে উল্টো পানি ঢুকছে। এর জন্য এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
এদিকে গোয়াইঘাট উপজেলার কিছু কিছু রাস্তাঘাট ভেসে উঠলেও ক্ষত চিহ্ন ভয়াবহ। ১৩টি ইউনয়নের রাস্তাঘাট, সড়ক, ব্রিজ, কালভার্টসহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিরুপন করছে প্রশাসন। বৃহষ্পতিবার কমলগঞ্জে পাত্রখলা চা-বাগানে টিলা ধসে এক মহিলা চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়।
গত বুধবার ও বৃহষ্পতিবারের প্রবল বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সিলেটের ৫ উপজেলার অন্তত ৭০০ গ্রামের ৬ লাখ মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে। বহু স্থানে রাস্তাঘাট ডুবে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে জেলার সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল, বাড়িঘর ও বহু মাছের ঘের। সবজি ক্ষেতগুলেতে পানির ঢেউ খেলছে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান জানান, পানিবন্দী মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে ও নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের খোলা ৪৫২টি আশ্রয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন উঁচু ভবনে বানভাসি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসন সিলেটের সবকটি পর্যটন কেন্দ্র বৃহষ্পতিবার বন্ধ ঘোষণা করেছে। সাদা পাথর, রাতারগুলসহ বিভিন্ন পর্যটকেন্দ্রে এখন পর্যটকদের ভীড় থাকার কথা। কিন্তু এসব স্থানে পানির তীব্র স্রোত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category