রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০২:০১ পূর্বাহ্ন

৭ ফ্লাইওভারের দুয়ার খুলছে রোববার, কমবে ভোগান্তি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৪
  • ৪২ Time View

রাজধানীর যানজট নিরসনে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) অংশের আওতায় এয়ারপোর্ট-গাজীপুর অংশে নির্মিত ৭টি ফ্লাইওভারের দুয়ার খুলছে আগামীকাল রোববার। ফলে এই সড়কে যানজট নিরসন হয়ে কমবে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই অংশের উদ্বোধন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৩ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ।

তিনি জানান, আগামীকাল রোববার বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি, এয়ারপোর্ট-গাজীপুর) প্রকল্পের সওজ অংশের আওতায় নির্মিত ৭টি ফ্লাইওভার যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা প্রান্তে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক প্রকল্পের প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করে। ২০১২ সালের ১ ডিসেম্বর একনেক বিআরটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। শুরুতে ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩৯ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে। এরপর কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল।

শুরুতে এই প্রকল্পের দৈর্ঘ্য চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত থাকলেও পরে সময় বৃদ্ধি করে প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হয়। সেই সঙ্গে প্রকল্প সংকুচিত করে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে কেরানীগঞ্জের পরিবর্তে দূরত্ব কমিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত করা হয়।

ঢাকার সঙ্গে গাজীপুরের যোগাযোগে মানুষের ভোগান্তি দূর করতে শুরুতে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা ছিল চার বছরের মধ্যে, সবশেষ ফ্লাইওভারের কাজ সম্পন্ন হয় ১২ বছরে। তবে এখনও বাকি রয়েছে সড়ক পথের কাজ ও বাস আমদানি।

প্রকল্পের সময় আর অর্থ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভোগান্তিও বেড়েছে অনেক। প্রকল্পের কাজ চলাকালে যানজট, দুর্ঘটনা আর ধুলাবালির কারণে পরিবেশ দূষণ নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।

বিআরটি প্রকল্পের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছিল, বিআরটি বাস্তবায়িত হলে ১০০টি আর্টিকুলেটেড বাসের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ২৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করবে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানজট অনেকটাই কমে যাবে।

এই প্রকল্পের ২০ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে সওজের কাজ ১৬ কিলোমিটার, যার মধ্যে সাতটি ফ্লাইওভার রয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতায় ৫টি এবং এলজিইডির আওতাধীন দুটি ফ্লাইওভার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category