শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন

যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু করবেন মোসাদ প্রধান

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪
  • ৪২ Time View

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া রবিবার (১৭ মার্চ) দোহায় কাতারের প্রধানমন্ত্রী এবং মিশরীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিষয়টি রয়টার্সকে শনিবার (১৬ মার্চ) নিশ্চিত করেছে একটি বিশ্বস্ত সূত্র।

সূত্রটি জানিয়েছে, ওই যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে অবশিষ্ট ব্যবধানগুলোকে কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।

এদিকে, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে সম্ভাব্য জিম্মি চুক্তির বিষয়ে আলোচনার জন্য কাতারে আরেকটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির আশা বাঁচিয়ে রাখার পাশাপাশি শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাফাহতে হামলান অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েল সরকার।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, তিনি ছিন্নভিন্ন ফিলিস্তিনি ছিটমহলটির দক্ষিণ প্রান্তের শহরটিতে আক্রমণের পরিকল্পনা করেছেন, যেখানে পাঁচ মাস যুদ্ধের পরে গাজার ২.৩ মিলিয়ন বাসিন্দার অর্ধেকেরও বেশি আশ্রয় নিয়েছে।

অন্যদিকে, বৈশ্বিক মিত্র এবং সমালোচকরা নেতানিয়াহুকে ব্যাপক বেসামরিক হতাহতের আশঙ্কায় রাফাহ হামলা বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ইসরায়েল বলেছে, ’রাফাহ হামাসের শেষ শক্ত ঘাঁটিগুলোর মধ্যে একটি এবং হামাসকে নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসরায়েল।’

ইসরায়েল আরও বলেছে, ‘হামলার আগে সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হবে।’

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তার মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র রাফাহতে হামলার পরিকল্পনা দেখেনি, তবে সেটি দেখতে চায় ওয়াশিংটন।’

নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘জিম্মিদের জন্য হামাসের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সম্মত হতে পারতো ইসরায়েল।’

প্রসঙ্গত, মধ্যস্থতাকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গাজা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পেশ করেছে হামাস, যার মধ্যে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের জিম্মিদের মুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, হামাস যাদের মুক্তি চেয়েছে তাদের মধ্যে ১০০ জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

রাফাহ হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জিম্মিদের মুক্তির জন্য হামাসের দাবি অবাস্তব ছিল। তবে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করার পরে দোহায় একটি প্রতিনিধি দল পাঠাবে তেল আবিব।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী রাফাহ শহরের লোকজন সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

তবে, রাফাহ হামলার বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি ইসরায়েল।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন অস্ট্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাফাহতে হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে একটি সুস্পষ্ট এবং বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা দেখতে হবে ইসরায়েলকে। ওই পরিকল্পনার মধ্যে বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়-ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার বিষয়টি থাকতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category