দেশের সকল দোকান, মার্কেট ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। একই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও। অন্যদিকে, আলোকিত বিলবোর্ড রাত ৭টার মধ্যে বন্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সারাদেশে বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেই এমন আদেশ দেওয়া হলো। তবে হাসপাতাল, খাবার ও ওষুধের দোকান এর আওতামুক্ত থাকছে।
এতদিন রাত ৯টার মধ্যে মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ রাখার নির্দেশনা ছিল। ইরান যুদ্ধের পর জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে গত ৬ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ঈদের আগে সেই আদেশ প্রত্যাহার করে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়।
একটি এফএসআরইউ বিকল হওয়ার পর (২১ জুলাই) থেকে গ্যাস সংকট শুরু হয়েছে। গ্যাস সংকটসহ নানা কারণে ভয়াবহ লোডশেডিং শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা চরমে আছে স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এ সংকটের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট হলেও পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাবে সব বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাচ্ছে না। দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি মিলিয়ে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অথচ প্রতিবছর দেশীয় কূপগুলোর উৎপাদন প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট করে কমছে।