রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মৃত্যু ইরানে হামলায় নিহত ২০১, আহত ৭৪৭: রেড ক্রিসেন্ট ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে বোমাবর্ষণে নিহত বেড়ে ৪০ প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন : ডা. জাহিদ হোসেন বলিভিয়ায় টাকা ভর্তি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ১৫ জন নিহত অস্ট্রেলিয়ায় লিবারেল পার্টির বার্ষিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশের নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ট্যাক্স বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে আগামী দুই মাস নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ স্বজনপ্রীতি পরিহার করে স্বচ্ছতার সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী পাকিস্তানে সেনা-পুলিশ অভিযানে ৩৪ সন্ত্রাসী-বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত

নেত্রকোনায় পাঁচ ইউনিয়নে পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৭৭ Time View

ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী ও কংস নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনো বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে নদী তীরবর্তী গ্রামগুলোতে প্রবেশ করেছে পানি।

ঢলের পানিতে উপজেলার কুল্লাগড়া, গাওকান্দিয়া চন্ডিগড় ও কাকৈরগড়া ইউনিয়নের প্রায় বিশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট।

শনিবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে পানিবন্দি এইসব এলাকা পরিদর্শন করেন নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস। এ সময় তিনি উপজেলার কাঁকৈরগড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখেন। পরে রামবাড়ী গ্রামে শতাধিক মানুষের মাঝে শুকনা খাবার, চাউল ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাফিকুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, দুর্গাপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোনার জারিয়া পয়েন্টে ২৫০ মিলিমিটার ও দুর্গাপুর পয়েন্ট ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

শনিবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কলমাকান্দা উপজেলায় উব্দাখালী নদীর পানি ডাকবাংলা পয়েন্টে বিপদসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়াও জেলার অন্যতম প্রধান নদী সোমেশ্বরী নদীর পানি বিজয়পুর পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৩৯ সেন্টিমিটার ও দুর্গাপুর পয়েন্ট ৮০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পূর্বধলায় কংস নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও খালিয়াজুরিতে ধনু নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২০২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সারওয়ার জাহান জানান, ভারতের অভ্যন্তরে এখনো বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে সীমান্তবর্তী নদ-নদী গুলোতে পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে বৃষ্টি থেমে গেলে নদীর পানিও কমতে শুরু করবে। তবে এখন পর্যন্ত জেলার প্রায় সব কয়টি বিপদসীমার নিচে রয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির পানিতে দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া, গাওকান্দিয়া ও চন্ডিগড়ের বেশ কিছু নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category