মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হলভর্তি উচ্ছ্বসিত দর্শকের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজনে পালিত হলো ‘আমাদের কথা’র ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কমিউনিটি সেবায় স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কামাল পাশা সিডনির ম্যাককুয়ারি ফিল্ডসে ‘মিস্টার পারফেক্ট’-এর কমিউনিটি আড্ডার এক বছর পূর্তি সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণে পাস ৪৫৮৫ জন হিমালয়ে ফের তুষারধস, নিখোঁজ ১৪ নেপালি রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৬ ভারতে ভারী বৃষ্টি-বন্যা-ভূমিধস, নিহত ৫৬ ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেফতার করলে পুরস্কার পাবে পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা : ইউজিসি

অস্ট্রেলিয়ান লেখককে মৃত্যুদণ্ড দিল চীন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৪২৩ Time View

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ান-চীনা লেখক ইয়াং হেনজুনকে গ্রেপ্তারের পাঁচ বছর পর একটি চীনা আদালত ‘স্থগিত মৃত্যুদণ্ড’ দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তাদের মতে, দুই বছর পর সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিণত হতে পারে। খবর বিবিসি।

স্থগিত মৃত্যুদণ্ড হলো, অবিলম্বে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করাকে জরুরি বলে মনে করা না হলে- মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পাশাপাশি দুই বছর তাকে পর্যবেক্ষণের পর আচরণের উপর ভিত্তি করে সাজা কমানোর সিদ্ধান্ত দেওয়া।

হেনজুন তার বিরুদ্ধে আনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অস্ট্রেলিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ায় সরকার ইয়াংয়ের মুক্তির জন্য আবেদন করেছিল। এই সিদ্ধান্তে আমরা শঙ্কিত। বেইজিংকে ‘কড়া ভাষায়’ এর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

পেনি ওং আরো বলেন, “আমরা নিরবিচ্ছিন্নভাবে আন্তর্জাতিক নিয়ম এবং চীনের আইনী বাধ্যবাধকতা অনুসারে ডক্টর ইয়াংয়ের জন্য ন্যায়বিচারের মৌলিক মান, পদ্ধতিগত ন্যায্যতা এবং মানবিক আচরণের জন্য আহ্বান জানিয়েছি। সকল অস্ট্রেলিয়ান হেনজুনকে তার পরিবারের সাথে পুনরায় মিলিত হতে দেখতে চায়। আমরা আমাদের আইনী ব্যবস্থা চালিয়ে যেতে পিছপা হব না।”

ইয়াং হেনজুন এর আগে চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রনালয়ের জন্য কাজ করতেন। তখন তাকে ‘গণতন্ত্রের দালাল’ আখ্যা দেওয়া হয়। তবে তিনি তার লেখায় সরকারের সরাসরি সমালোচনা এড়িয়ে যেতেন।

৫৭ বছর বয়সী হেনজুনকে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে গুয়াংজু বিমানবন্দরে আটক করে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। ২০২১ সালের পর থেকে তার মামলার কার্যক্রম বেশিরভাগ সময় লুকিয়েই চালানো হয়।

অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তারা এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের সতর্ক করেছে যেন তারা এই মামলায় হস্তক্ষেপ না করে এবং চীনের ‘বিচারিক সার্বভৌমত্ব’কে সম্মান করে।

আটক অবস্থায়  ইয়ং হেনজুনকে ৩০০ বারের বেশি জিজ্ঞাসাবাদ এবং ছয় মাস তীব্র নির্যাতন করা হয়েছে বলে দাবি করছে তার পরিবার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category