শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ার কাছে সিরিজ হারল বাংলাদেশ নাইজারের বিমানবন্দরে বন্দুক হামলায় নিহত ৩৫ সিআরপি পরিদর্শনে কামাল পাশা: প্রতিবন্ধী সেবায় বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় এক হাজার প্রাণহানি ১৩ হাজার ৩৪৪ জন জুলাই যোদ্ধা মাসিক ভাতা পাচ্ছেন : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে অভিবাসন আইন কঠোর করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন শিক্ষা খাতের বরাদ্দের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে তারা জনগণের বন্ধু নয় : তারেক রহমান

রিমালের তাণ্ডবে খুলনায় ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৪ লাখ মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪
  • ২৮৪ Time View

রিমালের তাণ্ডবে খুলনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৫২ হাজার ২শ’ মানুষ। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে ৭৬ হাজার ৯০৪টি এবং নিজ ঘরে গাছ চাপায় নিহত হয়েছেন একজন।

ঘূর্ণিঝড় চলাকালে সোমবার (২৭ মে) রাত ১টার দিকে জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলায় সুরখালি ইউনিয়নে নিজ ঘরে গাছচাপা পড়ে গাওঘরা গ্রামের গহর আলী মোড়লের ছেলে লাল চাঁদ মোড়ল (৩৬) নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৭ মে) রাতে খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাজমুল হুসেইন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

জেলার কয়রা, পাইকগাছা ও দাকোপ উপজেলায় কয়েক হাজার গাছ উপড়ে পড়েছে এবং ভেঙে পড়েছে। ছোট বড় শত শত মাছের ঘের, পুকুর এবং ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। ভেঙে গেছে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট। অনেকের গবাদিপশু, গৃহস্থলির আসবাবপত্র জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে।

সোমবার (২৭ মে) দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে অনেক এলাকায়। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রোববার (২৬ মে) ও সোমবার (২৭ মে) ভারী বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়া বইছে খুলনা মহানগরীসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে।

খুলনা শহরের মধ্যে সোমবার (২৭ মে) রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত খুলনা মহানগরীর অনেক সড়ক এবং ড্রেন ছিল পানির নিচে। নগরীর অনেক এলাকায় বসতঘরের মধ্যেও ছিল পানি।

খুলনা মহানগরীর ৩০নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোসাঃ শারমিন সুলতানা জানান, সোমবার রাতে ঘরে মধ্যে পানি ঢোকে। এখনো সেই পানি কমেনি। ঘরের আসবাবপত্র সব পানিতে ডুবে আছে।

৩১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ আব্দুস সালাম জানান, ঘরের কথা কি বলবো। জিনিসপত্র সব খাটের উপরে। আর আমরা এক আত্মীয়ের বাড়িতে। মাঝে মাঝে এসে দেখে যাচ্ছি। তার উপর বিদ্যুৎ নেই।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আরিফ হোসেন মিঠু জানান, ভৈরব এবং রূপসা নদীতে ভাটা লাগলে শহরের পানি কমে যাবে। বৈরি আবহাওয়ার জন্য নদীর পানি কমছে না। ফলে শহরের পানি নামতে দেরি হচ্ছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাজমুল হুসেইন জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে জেলার ৭৬ হাজার ৯০৪টি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার ৭শ’ ঘর সম্পূর্ণ ও ৫৬ হাজার ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার ৯ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৫২টি ওয়ার্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৫২ হাজার ২শ’ মানুষ। খুলনা নগরীতেও অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category