শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন

ইউরোপে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ডুবে ৩৭ অভিবাসীর মৃত্যু

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪ Time View
উন্নত জীবনের আশায় এবং নিজ দেশের চলমান সংঘাত থেকে বাঁচতে সমুদ্রপথে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন কয়েক ডজন সুদানি নাগরিক। তবে লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌযানডুবির ঘটনায় অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় একটি ত্রাণ কমিটি এ প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করেছে।
‘এল-ফাশের প্রতিরোধ সমন্বয়’ নামে তৃণমূলভিত্তিক মানবাধিকার ও ত্রাণ সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানায়, নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু এবং পুরো পরিবারও রয়েছে। জীবন বাঁচাতে ও উন্নত ভবিষ্যতের আশায় তারা সুদান ছেড়ে ইউরোপের পথে যাত্রা করেছিলেন।
সংগঠনটির প্রকাশ করা তালিকা অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে সাত মাস বয়সি একটি শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া ৩, ৬, ৮, ৯, ১২, ১৩ ও ১৬ বছর বয়সি কয়েকজন শিশু ও কিশোর-কিশোরীও মারা গেছে।
নিহতরা সুদানের এল ফাশের, এল জেনেইনা, নিয়ালা, গেদারেফ, পূর্ব নীল ও বাবানুসাসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তর দারফুরের রাজধানী এল ফাশেরের বাসিন্দার সংখ্যাই বেশি।
সংগঠনটি বলেছে, ‘মৃত্যু এল ফাশেরের বাসিন্দাদের পিছু ছাড়েনি; এটি তাদের শহরের ভেতরে, বাস্তুচ্যুতির পথে, অভিবাসনের পথ ধরে এমনকি সমুদ্রেও তাড়া করে বেড়াচ্ছে।’
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সামরিক বাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে ভয়াবহ সংঘাত চলছে। দীর্ঘ এই যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক মহলের সতর্কতা ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গণহত্যার অভিযোগের মধ্যেই ২০২৫ সালের ২৫ অক্টোবর এল ফাশের শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয় আরএসএফ। এরপর সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতা থেকে বাঁচতে বিপুলসংখ্যক সুদানি নাগরিক দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category