বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রাম্পের অর্থনৈতিক যুদ্ধ ব্যর্থ করে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের নেপালে বন্যা ও ধসে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭ মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে আরও ১৮৪ জনকে নিয়োগ ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির আহ্বান জামায়াতের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর সিডনির লাকেম্বার মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি মাহবুবুল হকের মৃত্যু মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হতে আগ্রহী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনের খসড়া অনুমোদন

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪ Time View

নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী রসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও তুষারধসে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় রাত পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পর এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ। বিবিসির খবর।

এর আগে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যে নিহতের সংখ্যা ১০০ বলা হয়েছিল। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মৃতের সংখ্যা আরও বেড়েছে। দুর্গত এলাকায় নিখোঁজদের সন্ধানে ব্যাপকভাবে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় একাধিক দল মোতায়েন করা হয়েছে। এসব দল নিখোঁজদের উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণ এবং নিহতদের মরদেহ শনাক্ত ও নথিভুক্ত করার কাজ করছে।
উদ্ধার অভিযানে একটি প্রশিক্ষিত কুকুরের দল এবং চারটি ড্রোনও ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নিখোঁজদের সন্ধানে এসব প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
পুলিশ জানিয়েছে, রসুয়া জেলায় এখনো ২৮ জন পুলিশ সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের পাশাপাশি অন্যান্য নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে বন্যার কারণ নিয়েও নানা তথ্য সামনে আসছে। নেপালের আবহাওয়া ও জলবিদ্যা বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, তিব্বতের অংশে পাহাড় থেকে বিশাল বরফখণ্ড বা হিমবাহের একটি অংশ ধসে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর সঙ্গে পাথর ও অন্যান্য পলিও নিচে নেমে এসে লেন্দে নদীর প্রবাহে বাধা তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বরফ ও পাথরের সংঘর্ষে বিপুল পরিমাণ পানি তৈরি হওয়ার পাশাপাশি নদীতে জমে থাকা পাথর ও পলি এক ধরনের প্রাকৃতিক বাঁধ সৃষ্টি করে। পরে সেই বাধা ভেঙে গিয়ে বিপুল পরিমাণ পানি হঠাৎ নিচের দিকে প্রবাহিত হয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।
তবে বন্যার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। হিমালয়ের দুর্গম ভূপ্রকৃতি এবং তিব্বতের প্রত্যন্ত এলাকায় মানুষের উপস্থিতি কম থাকায় ঘটনাস্থল থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরিষ্কার স্যাটেলাইট ছবি পাওয়ার পর বিভিন্ন উৎসের তথ্য যাচাই করে দুর্যোগের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।
এর আগে হিমবাহ-গলিত পানিতে তৈরি কোনো হ্রদ ভেঙে বন্যা হয়েছে কি না, এমন আশঙ্কাও করা হয়েছিল। তবে কয়েকজন হিমবাহ বিশেষজ্ঞ সেই সম্ভাবনা নাকচ করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category